রোমঃ করোনা আতঙ্কে সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া দেশগুলির মধ্যে অন্যতম ছিল ইতালি। সে দেশে এই করোনার কারণে মারা গিয়েছেন প্রায় ৫০ হাজার এছাড়াও আক্রান্ত হয়েছিলেন কয়েক লক্ষ মানুষজন।

করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা করতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছিলেন বেশ কিছু চিকিৎসক। অবশেষে সে দেশে কমেছে করোনা প্রকোপ। মানুষজন ফিরছে স্বাভাবিক ছন্দে। আর সেই কারণে ধীরে ধীরে খোলা হচ্ছে দোকান ক্যাফে।

ধীরে ধীরে রেস্টুরেন্ট, বার সহ বেশ কিছু জায়গা ধীরে ধীরে খোলা হচ্ছে। মানুষজন আবার করোনা আতঙ্ক কাটিয়ে ফিরছে স্বাভাবিক ছন্দে। তবে স্বাভাবিক হলেও বজায় রাখা হছে নিরাপত্তা। মানা হচ্ছে সামাজিক দূরত্ব। বেশ কিছু দোকান খোলা হলেও কিছু দোকান এখনও খোলা হয়নি। পরস্থিতি দেখে নিয়ে সেই সকল দোকান খুলতে চাইছে দোকানদারেরা। তবে সেলুন, পার্লার সহ বেশ কিছু জায়গা ইতিমধ্যে খুলেছে ইতালিতে। যা দেখে মনে করা হচ্ছে করোনা আতঙ্ক কাটিয়ে স্বাভাবিক ছন্দে ফেরার চেষ্টা করছে ইতালি। ‘

তবে রেস্টুরেন্ট গুলিতে মানা হচ্ছে সব ধরনের নিয়ম। সামাজিক দূরত্ব থেকে শুরু করে ক্রেতা এবং বাকি কর্মীদের মধ্যেও বেশ কিছুটা দূরত্ব রাখা হচ্ছে। করোনা আতঙ্ক কাটিয়ে স্বাভাবিক ছন্দে ফেরার চেষ্টা করলেও স্বাস্থ্য বিধি মেনেই সব করা হচ্ছে। তবে সেলুন এবং পার্লারের কর্মীরা নিয়ম করে তাদের সকল যন্ত্রপাতি স্যানিটাইজ করা হচ্ছে।

পাশপাশি জামাকাপড়ের দোকানেও কর্মীরা জিনিসপত্র বাধ্যতামূলক ভাবে স্যানিটাইজ করছেন। পাশপাশি চারচে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে সেক্ষেত্রেও মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পাশপাশি সেখানেও এক মিটারের দূরত্ব বজায় রাখতে হচ্ছে। পাশপাশি আগামী ২৫ মে থেকে মনে করা হচ্ছে সিনেমাহল, সুইমিং পুল সব ধীরে ধীরে খোলা হবে সাধারণের জন্য। তবে ধীরে ধীরে সেখনে সংক্রমণের হার কম হওয়ার কারণে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা