রোম: পদত্যাগ করলেন ইটালির প্রধানমন্ত্রী জিউসেপ্পে কন্টি। তাঁর ক্ষমতাসীন জোট কয়েক সপ্তাহ অশান্তির মধ্যে থাকার পর নতুন সরকার গঠনের আশায় মঙ্গলবার পদত্যাগ করলেন তিনি। তিনি ইটালিয়ান রাষ্ট্রপতি সের্জিও মাত্তেত্রার কাছে পদত্যাগপত্র প্রেরণ করেছেন।

২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরের পর থেকে ইতালি নেতৃত্বাধীন অশান্ত জোটের সম্মুখীন। ইটালির ভিভা পার্টি থেকে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মাত্তেও রেনজি পদত্যাগ করার পরই এই সমস্যার সূত্রপাত। আস্থা ভোটে জিতলেও সেনেটের ভোটে কন্টি হেরে যান। ভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় তাঁকে পদ ছাড়তে হয়। মঙ্গলবার কন্টি তার মন্ত্রিসভাকে বলেন যে তিনি পদত্যাগ করছেন। সমর্থকরা নতুন সরকার গঠনের পদক্ষেপ নিয়েছে। এ নিয়ে মাত্তেরেলা বুধবার দলীয় নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন। বৃহস্পতিবার তা প্রকাশ্যে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। কন্টি পদত্যাগ করলেও নতুন করে দল গঠন ও মজবুত করে তিনি ফের মসনদে বসতে পারেন যদি তাঁকে প্রেসিডেন্ট সুযোগ দেন।

ইটালির ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। ইউরোপের মধ্যে ইটালি হল প্রথম দেশ যেটি কোভিড-১৯ মহামারীর সম্পূর্ণ শক্তির মুখোমুখি হয়েছিল। এর পর থেকে এই দেশ খুব খারাপভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

অর্থনীতি মন্দার মধ্যে ডুবে গিয়েছে। এখনও দেশে প্রতিদিন প্রায় ৪০০ জনের মৃত্যু হচ্ছে। দেশের বেশিরভাগ অংশ আংশিক লকডাউনের আওতায় রয়েছে। টিকাদান কর্মসূচি হ্রাস পেয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের পুনরুদ্ধারের তহবিলে কোটি কোটি ইউরো ব্যয় করার পরিকল্পনা চলেছে।

পার্লামেন্টের জনপ্রিয় ফাইভ স্টার মুভমেন্টের (M5S) অন্যতম নেতা বিদেশমন্ত্রী লুজি ডি মাইও এর আগে বলেছিলেন যে কন্টেকে ঘিরে সমাবেশ করার সময় হয়েছে। সোমবার গভীর রাতে তিনি টুইট করেন, “মহামারীজনিত কারণে দেশটি তার সর্বকালের সবচেয়ে খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। এখন আমাদের ঐক্যের প্রয়োজন। আমাদের সকলকে জিউস্পে কন্টের পাশে থাকা উচিত।”

১৩ জানুয়ারি রেনজি একের পর এক মহামারীর সময় দেশ পরিচালনার বিষয়ে প্রশ্নই কন্টের সরকারকে পতনের এগিয়ে দিয়েছিল। রেনজি বিশেষত সতর্ক করেছিলেন যে তিনি ২২০ বিলিয়ন ইউরো (২৬৭ বিলিয়ন ডলার) ব্যয় পরিকল্পনা করে EU তহবিল নষ্ট করার ঝুঁকি নিয়েছেন এবং ইতালির দীর্ঘমেয়াদী কাঠামোগত সমস্যাগুলি সমাধান করতে ব্যর্থ হয়েছেন। কন্টে গত সপ্তাহে সংসদে আস্থাভাজন ভোটে বেঁচে গিয়েছিলেন। তবে উচ্চকক্ষ, সিনেটে সামগ্রিক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে ব্যর্থ হন। সিনেটরদের সমর্থন চাওয়ার জন্য কয়েকদিন আলাপ আলোচনা সত্ত্বেও, তিনি তাদের সমর্থন অর্জন করতে পারেননি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।