ত্রিপোলি: ৩৭.৫ মিলিয়ন মাদকদ্রব্য বাজেয়াপ্ত করল ইতালি পুলিশ৷ এই সমস্ত মাদকদ্রব্যগুলি আইএস জঙ্গিরা যুদ্ধের সময় ব্যবহার করত বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে৷ এই সমস্ত মাদকদ্রব্যগুলির মধ্যে ছিল ট্রামাডলের মতন ক্ষতিকর বেশ কিছু মাদকদ্রব্যও৷ এই ট্র্যামাডল একটি সিন্থেটিক ওপিয়ড  ড্রাগ যেটি পেইনকিলার হিসেবেও ব্যবহৃত হয়৷ এই সমস্ত মাদকগুলি একটি মালবাহী জাহাজে ভারত থেকে লিবিয়ার দিকে যাচ্ছিল৷ ভারতের ফার্মেটিক্যালস সংস্থাগুলিতেই এই পেইনকিলার গুলি তৈরি হয়৷ এরপর এক একটি বিদেশি মুদ্রায় ২,৫০,০০০ এ বিক্রি করা হয়৷ এক্ষেত্রে প্রথমে ভারত থেকে শ্রীলঙ্কায় এই পেইনকিলারগুলিকে পাঠানো হয়৷ এই সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য লোপাটের জন্য৷

সংবাদসংস্থার একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই মাদকদ্রব্যগুলি লিবিয়ার আইএস জঙ্গিদের কাছে অনেক দামে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠছে৷ এই ৩৭মিলিয়ন ট্র্যামাডলগুলির দাম প্রায় ৭৫মিলিয়ন৷ জিনোয়া বন্দরে তিনটি আলাদা আলাদা প্যাকেটে এই  মাদকদ্রব্যগুলি উদ্ধার করেছে পুলিশ৷ এই সমস্ত মাদকদ্রব্যগুলি কম্বল এবং শ্যাম্পু হিসেবে বিক্রি করার চেষ্টা করছিল৷ তোবরুক এবং মিসরাটাতে লিবিয়ায় এই মাদকদ্রব্য পাচার করার চেষ্টা চলছিল৷

একজন ইতালি তদন্তকারী অফিসার বলেন, আইএস জঙ্গিরা এই ধরণের মাদকদ্রব্যগুলি মূলত ব্যবহার করে যাতে যুদ্ধের সময় তাদের আঘাত লাগলেও সেটি যুদ্ধে কোনও প্রভাব না পরে৷ এর পাশাপাশিই ওই অফিসার বলেন, মাদকদ্রব্যগুলিকে ভারত থেকে আমদানি করার পিছনে রয়েছে দুটি প্রধান কারণ৷ এগুলি হল, ইসলাম সন্ত্রাসবাদীদের আর্থিক ক্ষেত্রে যাতে বেশি ক্ষতি না হয় এবং জেহাদি যোদ্ধাদের শারিরীক উত্তেজক হিসেবে এই পেইনকিলার গুলি ব্যবহার করেন৷ শারিরীক চাপ প্রতিরোধ করার জন্যই এই পেইনকিলার গুলি ব্যবহার করা হয়ে থাকে৷

এই ট্রামাডোল পেইনকিলার গুলির এক একটি প্রায় ২ডলারে বিক্রি করা হয় লিবিয়াতে৷ তবে, এই ঘটনা এই প্রথম নয়৷ গত বছর গ্রীক বন্দর থেকে ২৬মিলিয়ন ট্রামাডোল পেনকিলার উদ্ধার হয়েছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.