কলকাতা: এটিকে-মোহনবাগান সংযুক্তিকরণের বিষয়টি চূড়ান্ত হতে নিদেনপক্ষে ছয় মাস সময় লেগেছিল। আইএসএল খেলার জন্য চাই দূরদৃষ্টি এবং যথোপযুক্ত পরিকাঠামো। তাই একবছর অপেক্ষা করে আইএসএলে আসুক ইস্টবেঙ্গল। সামনের একটা বছর ইস্টবেঙ্গল আইএসএল না খেললে কোনও আকাশ ভেঙে পড়বে না। কঠিন সময় কলকাতা জায়ান্টদের পাশে দাঁড়িয়ে এমনটাই জানালেন ফেডারেশন সচিব কুশল দাস।

ভারতীয় ফুটবল সংক্রান্ত পশ্চিমবঙ্গ চেম্বার অফ কমার্সের এক ওয়েবিনারে ইস্টবেঙ্গলের আইএসএল খেলার প্রসঙ্গটি উত্থাপিত হতেই তাঁর মতামত পোষণ করলেন কুশল দাস। ইস্টবেঙ্গল আইএসএল যে খেলবেই এব্যাপারে কোনও দ্বিমত নেই। তবে সেটা আগামী মরশুমে না হলেও ২০২১-২২ মরশুমে। এমনই ইঙ্গিত রেখে ইস্টবেঙ্গলের উদ্দেশ্যে কুশল দাস জানিয়েছেন, ‘আইএসএল খেলতে গেলে একটা সুদূরপ্রসারী দৃষ্টি অবশ্যই প্রয়োজন এবং সঙ্গে যথোপযুক্ত পরিকাঠামো। এটিকে-মোহনবাগানের সংযুক্তিকরণের বিষয়টি চূড়ান্ত হতে ছ’মাস সময় লেগেছিল। তাই আমার মতে ইস্টবেঙ্গলের আর একবছর অপেক্ষা করে যাওয়া প্রয়োজন।

কারণ আসন্ন মরশুমে ওরা আইএসএল না খেলতে পারলে আকাশ ভেঙে পড়বে না। ওদের পুরনো ইনভেস্টরদের সঙ্গে এখনও একটা সমস্যা রয়েছে। যদি তাঁরা সেইসব সমস্যা মিটিয়ে নিজেদের প্রস্তুত করতে পারে তাহলে তাঁদের স্বাগত।’ আইএসএলে নাম নথিভুক্ত করার জন্য ডেডলাইন কী? এব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে কুশল বাবু জানান, ‘আগামী ১৫ জুলাই থেকে ক্লাব লাইসেন্সিং’য়ের বিষয়টি শুরু হচ্ছে। নয়া এন্টিটি হিসেবে যদি তাঁরা পথ চলা শুরু করে তাহলে তাঁদের এই সময়ের মধ্যে প্রচুর NOC (নো অবজেকশন সার্টিফিকেট) জোগাড় করতে হবে। আর পুরো বিষয়টাই এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের এক্তিয়ারে। এআইএফএফে’র বিশেষ কিছু করণীয় নেই এখানে।’

পাশাপাশি অনুষ্ঠানে ২০২০-২১ মরশুমে আইএসএলে নয়া এন্টিটি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে চলা এটিকে-মোহনবাগানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ফেডারেশন সচিব। তাঁর কথায়, ‘আইএসএলে মোহনবাগানের আবির্ভাব সকলের জন্য উইন-উইন সিচুয়েশন। এটিকে’র আর্থিক শক্তি এবং মোহনবাগানের ঐতিহ্য, সবমিলিয়ে একটা দারুণ বিষয় হতে যাচ্ছে। ওরা জার্সির রংটাও অপরিবর্তিত রেখেছে যেটা খুব উপযোগী সিদ্ধান্ত। তবে দুঃখের বিষয় একটাই আসন্ন মরশুমে তাঁদের ক্লোজ-ডোর খেলতে হবে।’

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও