স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: উত্তর দমদমের বিধায়ক তন্ময় ভট্টাচার্য রাজ্য রাজনীতিতে বেশ জনপ্রিয় ব্যাক্তিত্ব। সিপিএম নেট তন্ময় বিধানসভার ভিতরে ও বাইরে সুবক্তা হিসাবে পরিচিত। তন্ময়ের বক্তব্য, রাজনীতিতে অস্পৃশ্যতা বলে কিছু নেই। নির্দিষ্ট ইস্যু ঠিক করে দেবে আপনার রাজনৈতিক অবস্থান।

বিষয়, তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে সিপিএমের রাজনৈতিক অবস্থান। কিছুদিন আগেই বোমা ফাটিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী গৌতম দেব। বলেছিলেন, রাজনীতিতে কেউ অস্পৃশ্য নয়। মমতা (বন্দ্যোপাধ্যায়) আলিমুদ্দিন এলে দেখবো। রাজ্য রাজনীতিতে তাফ পর থেকেই বিস্তর আলোচনা, বিজেপিকে আটকাতে তিবে কি সিপিএম …।

তবে তেমন যে কোনো সম্ভাবনাই নেই তা বিধানসভার অন্দরেই পরিষ্কার করে দিয়েছেন বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী। বিধানসভায় মমতার ইঙ্গিতকে আমল দিতে চায়নি বামেরা। সোমবার, তন্ময় যা বলেছেন, তা গৌতম দেবের কথার ব্যাতিক্রম নয়

তন্ময়ের বক্তব্য, এই মুহূর্তে জাতীয় রাজনীতিতে প্রধান শত্রু বিজেপি। বিজেপিকে ঠেকান প্রথম ও প্রধান কর্তব্য। কিন্তু একথা বিধানসভায় বলেছি, আজ বিজেপির বাড় বাড়ন্ত তৃণমূলের জন্য। তৃণমূলের প্রত্যক্ষ মদতেই বাংলায় আরএস এস-এর শাখার সংখ্যা ১২০ থেকে ১২০০ হয়েছে। ওই শাখা তৈরি হয়েছে সরকারি জমিতে।

তন্ময়ের আরও বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি সত্যি আরএসএস বিরোধী হয়ে থাকেন তবে সরকারি জমিতে তাদের শাখা হতে দিতেন না। বেআইনি ঘোষণা করতেন। তন্ময়ের বক্তব্য, ছত্তিশগড়, উত্তর প্রদেশ বা মধ্য প্রদেশের মতো রাজ্যে ‘জয় শ্রী রাম’ ধ্বনি দিযে দিতে মানুষকে মারা হচ্ছে। এখানেও এই ঘটনা ঘটলে আমি সেই পীড়িতকে বাঁচাতে ছুটবো। হয়তো তৃণমূলের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকও ছুটবেন। কারণ ওই মানুষটাকে বাঁচাতে হবে। ইস্যুটা একই। আবার মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের মদতে পাকিস্তান ভারতকে আক্রমণ করে, তবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ভারত লড়াই করবে বলে আমি কি দেশ বিরোধী স্লোগান দেব? কখনোই নয়। রাজনীতিতে ইস্যুটাই আসল।