মুম্বই: যেভাবে প্রতারণা বাড়ছে তা মোকাবিলা করতে পজিটিভ পে নামক পদ্ধতি চালু করা হচ্ছে ব্যাংক ব্যবস্থায়। রিজার্ভ ব্যাংকের পক্ষ থেকে এমনটাই জানানো হয়েছে। এর ফলে চেক কেটে কাউকে দেওয়ার আগে গ্রাহককে সেটির ছবি তুলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে পাঠাতে হবে ।

এরপর যাকে চেকটি দেওয়া হয়েছে সে সেটি ভাঙাতে গেলে ছবির সঙ্গে আসল চেকটি মিলিয়ে দেখে নেবে ব্যাংক। দুটি মিলে গেলে টাকা দেওয়া হবে। প্রতারণার আটকাতে এই ব্যবস্থা অত্যন্ত কার্যকরী হবে বলে মনে করছে ব্যাংক কর্তাদেরদের একাংশ। সে ক্ষেত্রে যত দ্রুত সম্ভব প্রতিটি ব্যাংকে এমন ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করার নির্দেশ জারি করার আর্জি জানানো হয়েছে।

যদিও আবার এই পদ্ধতি বাধ্যতামূলক হলে গ্রাহকদের কিছুটা অসুবিধা হতে পারে বলে মনে করছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের একাংশ। অনেক সময় কিছু অসাধু ব্যক্তি চেকের অংক বদলে বেশি টাকা নেওয়ার চেষ্টা করে কিংবা প্রকৃত যার নামে চেক-কাটা সেই নাম মুছে দিয়ে অন্য কোন নাম বসিয়ে টাকা তুলে নেয়ার চেষ্টা হয়। কিংবা চেক বই হারিয়ে গেলে তার পাতা ব্যবহার করে প্রতারণা করা হয়ে থাকে।

পজিটিভ পে নামক এই নয়া পদ্ধতি চালু হলে এই ধরনের নানা রকম প্রতারণা আটকানো যেতে পারে বলে মনে করছেন ব্যাংক কর্তারা। ব্যাংক কর্তাদের অভিমত, চেকের ছবিটা দেওয়া থাকলে এবং আসল চেকের সঙ্গে তার কোনও অমিল লক্ষ্য করলে এই ব্যবস্থায় চেক ক্লিয়ারেন্স আটকে দেওয়া হবে।

অর্থাৎ এই পদ্ধতি গ্রাহকদের একটা সুরক্ষা বলয় দিচ্ছে। যেহেতু গ্রাহক চেকের ছবি আগেই তুলে ব্যাংকের কাছে জমা দিয়ে রাখছে সেহেতু ব্যাংক আগে থেকেই জেনে থাকছে এমন একটা চেক জমা পড়তে চলেছে।

তবে ব্যাংক কর্তারা জানিয়েছেন, আপাতত ৫০,০০০ টাকা বা তার বেশি অংকের টাকার চেকের ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থা আসবে। এটা ঠিক সকল রকমের গ্রাহকের টাকা সুরক্ষার জন্য কম অংকের চেকের জন্য এই ব্যবস্থা চালু হওয়া জরুরি।

কিন্তু পাশাপাশি ভাবতে হবে এই পজিটিভ পে ব্যবস্থায় গ্রাহককে তার ব্যাংকের অ্যাপে ওই চেকের ছবিটা তখন দিতেই হবে। অতএব গ্রাহকের এইজন্য স্মার্ট ফোন থাকা বাঞ্ছনীয়। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে এই ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করলে, যেসব গ্রাহকের স্মার্ট ফোন নেই অথবা এই অ্যাপ ব্যবহারে স্বচ্ছন্দ নন তাদের কি হবে? অর্থাৎ সেক্ষেত্রে সকলের জন্য এই পদ্ধতি বাধ্যতামূলক করলে বেশকিছু গ্রাহক আপাতত মুশকিলে পড়তে পারেন।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও