কলকাতা: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মুকুটে নয়া পালক। মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোয় দ্বিতীয় চন্দ্রাভিযান প্রজোক্টে যুক্ত হচ্ছেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা। জানা গিয়েছে, চন্দ্রাভিযানের আগামী মিশন এবং অন্যান্য মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রিক কাজে এবার ইসরোকে সাহায্য করবেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা।

সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের রিপোর্টে উল্লেখ, চাঁদের মাটিতে সফল অবতরণে সফট ল্যান্ডিংয়ের ল্যান্ডার এবং রোভার তৈরির জন্য গবেষণায় ইসরোকে সাহায্য করবেন যাদবপুরের গবেষকরা।

গত বছর চন্দ্রযান অভিযানের শেষ মুহূর্তে ল্যান্ডার বিক্রমের চাঁদের মাটিতে অবতরণের চেষ্টা ব্যর্থ হয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ইসরোর কার্যালয়ে ছিলেন সেদিন।

বিজ্ঞানীদের উৎসাহিত করতে ওই দিন তিনিও স্যাটেলাইট মারফত পাঠানো ছবি দেখছিলেন। শেষ মুহূর্তে সেদিন ল্যান্ডার বিক্রমের চাঁদের মাটিতে অবতরণের চেষ্টা ব্যর্থ হয়। সেই ব্যর্থতা ঢেকে নয়া উদ্যমে কাজ শুরু করে দেয় ইসরো। এবার আর কোনও ত্রুটি রাখতে নারাজ বিজ্ঞানীরা।

দ্বিতীয় চন্দ্রাভিযানের তৎপরতা তুঙ্গে। সেই কাজে ইসরোকে এবার সাহায্য করবেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা। চন্দ্রাভিযানের আগামী মিশন এবং অন্যান্য মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রিক প্রকল্পের কাজের জন্য ইসরোকে সাহায্য করবে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়।

জানা গিয়েছে, যাদপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই গবেষক ইসরোর সঙ্গে কাজ করবেন। যাদবপুরের ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন বিভাগের সহকারি অধ্যাপক এবং সায়ন চট্টোপাধ্যায় সর্বভারতীয় ওই সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, একাধিক প্রতিকূলতার মধ্যেও ল্যান্ডারের সফট ল্যান্ডিং করানোই তাঁদের মূল লক্ষ্য।

ইসরোর অন্য বিজ্ঞানীদের সঙ্গেই এই কাজ করবেন যাদবপুরের গবেষকরা। একইভাবে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. অমিতাভ গুপ্তও চন্দ্রাভিযানের এই গবেষণায় যুক্ত হচ্ছেন।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ