নয়াদিল্লি : শেষ মুহুর্তের প্রস্তুতি শেষ। এবার প্রহর গোনার পালা। ২৮শে ফেব্রুয়ারি ১৮টি বিদেশি স্যাটেলাইট নিয়ে মহাকাশে পাড়ি দিতে চলেছে ইসরোর (ISRO) গর্বের পিএসএলভি সি-৫১ (PSLV-C51)। এর মধ্যে রয়েছে ব্রাজিলের Amazonia-1। ইসরোর এই পোলার স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকল বা পিএসএলভি সি-৫১ নিয়ে দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষা ছিল।

২৮শে ফেব্রুয়ারি সতীশ ধাওয়ান স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশনের শ্রীহরিকোটা রেঞ্জ থেকে এই পিএসএলভি সি-৫১ উৎক্ষেপিত হবে বলে খবর। আবহাওয়ার পরিস্থিতি বিচার করে পিএসএলভির উৎক্ষেপণে চূড়ান্ত সম্মতি দেওয়া হবে। প্রাথমিক ভাবে সকাল ১০.২৪ মিনিটে শ্রীহরিকোটা থেকে যাত্রা শুরু করার কথা পিএসএলভি সি-৫১-র।

বৃহস্পতিবার ইসরো জানিয়েছে লঞ্চ রিহার্সালও শেষ হয়েছে পিএসএলভি সি-৫১-র। এই পিএসএলভির মূল স্যাটেলাইট হল ব্রাজিলের Amazonia-1। এরই সঙ্গে থাকছে আরও ১৮টি স্যাটেলাইট (18 co-passenger satellites)। এর মধ্যে রয়েছে ভারতের স্যাটেলাইটও। সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি উপগ্রহ মহাকাশে পাঠাতে চলেছে ইসরো। এগুলির নাম দেওয়া হয়েছে আনন্দ, সতীশ ধাওয়ান স্যাটেলাইট ও ইউনিটিস্যাট।

সতীশ ধাওয়ান স্যাটেলাইটটি স্পেস কিডস ইন্ডিয়া স্টার্টআপের মাধ্যমে গড়ে তোলা হয়েছে বলে খবর। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আত্মনির্ভর ভারত মিশনের আওতায় এই স্যাটেলাইটগুলি গড়ে তোলা হয়েছে। অন্যদিকে Amazonia-1 ব্রাজিলের তৈরি উপগ্রহ, যা মূলত অপটিক্যাল আর্থ অবজারভার।

এর আগে, ৭ই নভেম্বর লঞ্চ করা হয় পোলার স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকল সি-৪৯ বা পিএসএলভি সি-৪৯। ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশন বা ইসরো জানায় এটি দেশের অন্যতম রাডার ইমেজিং স্যাটেলাইট। ইসরোর এক আধিকারিক জানিয়ে ছিলেন, ২০২০ সালের প্রথম মহাকাশ অভিযান এটি। এরপর ডিসেম্বরেও একটি অভিযানের পরীক্ষা করা হবে।

পিএসএলভি সি-৪৯ উৎক্ষেপণের পরে শ্রীহরিকোটা থেকে উৎক্ষেপণ করা হয় এসএসএলভি বা স্মার্ট স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকল। লিথুয়ানিয়ার ১টি টেকনোলজি ডেমনস্ট্রেটর, লুক্সেমবার্গের ৪টি মারিটাইম অ্যাপ্লিকেশন স্যাটেলাইট, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪টি লেমুর মাল্টি মিশন রিমোট সেন্সিং স্যাটেলাইট মহাকাশে উৎক্ষেপণ করে পিএসএলভি সি-৪৯।

এই উপগ্রহগুলির সঙ্গে ছিল ভারতের রাডার ইমেজিং স্যাটেলাইট ইওএস-০১। পিএসএলভি সি-৪৯ লঞ্চারটি ৪৪.৫ মিটার লম্বা। ভারতের এই উপগ্রহ দেশের সব ধরণের আবহাওয়ার ছবি পাঠাতে সক্ষম। দিন বা রাত উভয় সময়েই ছবি পাঠাতে পারবে ভারতের রাডার ইমেজিং স্যাটেলাইট ইওএস-০১।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।