নয়াদিল্লি: প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়নে গতি আনতে নয়া উদ্যোগ ইসরোর৷ কেন্দ্রের সহায়তায় ইসরো তৈরি করছে উন্নত প্রযুক্তির মিলিটারি স্যাটেলাইট৷ এবছরই এই স্যাটেলাইটগুলির পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ হতে পারে৷ এই ধরণের পাঁচটি উপগ্রহ তৈরি করা হচ্ছে বলে খবর৷

উপগ্রহগুলি কক্ষপথে স্থাপন করার পর দেশের প্রতিরক্ষা গবেষণায় বিশেষ সাহায্য হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা৷ সূত্রের খবর এর ফলে মহাকাশে নজরদারি বাড়ানো যাবে৷ প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের ভাষায় একে বলা হচ্ছে স্ট্র্যাটেজিক অ্যাসেটস ইন স্পেস৷

চারটি নতুন সিরিজের রিস্যাট স্যাটেলাইট ও একটি উন্নত প্রযুক্তির কারটোস্যাট-৩ স্যাটেলাইট নিয়ে আসতে চলেছে ইসরো৷ উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে যে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালানো হয়, তার পরিকল্পনা তৈরি করতে ব্যবহার করা হয়েছিল পুরোন রিস্যাট সিরিজের স্যাটেলাইটের পাঠানো ছবি৷ এছাড়াও পাকিস্তানের বালাকোটে জইশ ক্যাম্পে হামলা চালানোর আগে এই স্যাটেলাইটের ছবি জঙ্গি ঘাঁটি চিহ্নিতকরণে কাজে লাগে৷

এর আগে, স্পেস এজেন্সি একই বছরে সর্বাধিক দুটি মিলিটারি স্যাটেলাইট লঞ্চ করতে পেরেছিল৷ তবে সেই রেকর্ড ভেঙে এবছর পাঁচটি মিলিটারি স্যাটেলাইট পাঠাতে চলেছে ভারত৷ এর ফলে পাকিস্তান ও চিন সীমান্তে নজরদারি করার সুবিধা আরও বাড়বে৷ সহজে চিহ্নিত করা যাবে প্রতিবেশি দেশের সেনার অবস্থান ও কার্যকলাপ৷ ভারত মহাসাগরে চিনা দখলদারি রুখতেও এই উপগ্রহের তথ্য কাজে আসবে ভারতের৷

টাইমস অফ ইণ্ডিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে ইসরোর চেয়ারম্যান কে শিভন বলেন ৩৩টি লক্ষ্য রয়েছে ইসরোর সামনে৷ এর মধ্যে রয়েছে উপগ্রহ, রকেট লঞ্চ৷ মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে PSLV-C46 রকেট রিস্যাট-২বি স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠাবে৷ জুনের চতুর্থ সপ্তাহে PSLV-C47 লঞ্চ করবে কার্টোস্যাট-৩ স্যাটেলাইট৷ এছাড়াও জুলাই ও নভেম্বরে আরও উপগ্রহ লঞ্চ করা হবে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।