হায়দরাবাদ: গত ১ আক্টোবর হায়দরাবাদের অ্যাপার্টমেন্টের মধ্যে উদ্ধার হয় ইসরোরর বিজ্ঞানীর মৃতদেহ। গত কয়েকদিন ধরে চলছিল তদন্ত। তদন্তে এক চাঞ্চল্যকর দাবি উঠে এসেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গে সেক্স পার্টনারের হাতেই খুন হয়েছেন ওই বিজ্ঞানী।

সুরেশ কুমার নামে ওই বিজ্ঞানীর খুনের রহস্যভেদ করা গিয়েছে বলেই দাবি পুলিশের। পুলিশের দাবি, ল্যাবের ওই টেকনিশিয়ানের সঙ্গে সমকামে আসক্ত হয়ে পড়েছিলেন ইসরোর বিজ্ঞানী। সেক্সের পর টাকা না-মেটানোর কারণেই টেকনিশিয়ানের হাতে তিনি নৃশংস ভাবে খুন হয়েছেন।

শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠক করে হায়দরাবাদের পুলিশ কমিশনার অঞ্জনি কুমার জানিয়েছেন, ধৃত টেকনিশিয়ান জে শ্রীনিবাস ধারালো ছুরি দিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে খুন করেছে ইসরোর বিজ্ঞানী সুরেশ কুমারকে। সেক্সুয়াল অ্যাক্টিভিটির জন্য প্রতিশ্রুতি মতো টাকা দেননি সুরেশ। সেই নিয়ে বচসাতেই শ্রীনিবাসের হাতে তিনি খুন হন।

পুলিশ কমিশনার জানান, ধৃত শ্রীনিবাসই যে বিজ্ঞানীকে খুন করেছে, সেই সংক্রান্ত একাধিক প্রমাণ পুলিশের হাতে রয়েছে। ওই টেকনিশিয়ানের কাছ থেকে কুমারের সোনার আংটি, খোওয়া যাওয়া নগদ ১০ হাজার টাকা, মোবাইল ফোন উদ্ধার হয়েছে।

রক্তের নমুনা নিতেই নাকি সুরেশ কুমারের বাড়িতে যেত ওই ল্যাব টেকনিশিয়ান। কুমার তাকে টাকার বিনিময়ে সেক্সের প্রস্তাব দিলে, শ্রীনিবাস তাতে রাজি হয়ে যায়। তার ধারণা হয়েছিল, বিজ্ঞানী যেহেতু একা থাকেন, তাঁর প্রচুর টাকাপয়সা রয়েছে। কিন্তু, শেষমেস সেই টাকা না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়ে সে।

জানা গিয়েছে, ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা, ‘ইসরো’র ন্যাশনাল রিমোট সেন্সিং সেন্টার (NRSC)-এ কর্মরত ছিলেন সুরেশ কুমার। হায়দরাবাদের অ্যাপার্টমেন্ট থেকে গত মঙ্গলবার ওই বিজ্ঞানীর দেহ উদ্ধার হয়। মাথার পিছনে আঘাতের চিহ্ন দেখেই পুলিশ নিশ্চিত হয়ে যায় ইসরোর বিজ্ঞানীকে খুন করা হয়েছে।