জেরুজালেম: করোনার হানায় হঠাৎ করে বদলে গিয়েছে আমাদের স্বাভাবিক জীবনের ছন্দ। বিশ্বব্যাপী অতিমারীর প্রকোপ থেকে বাঁচতে সামাজিক দূরত্ব আর মাক্সই এখন মানুষের নিত্যসঙ্গী।

আর এই করোনাভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে অভিনব উদ্যোগ। সোনার দাম যখন যখন আকাশছোঁয়া ঠিক তখনই বহুমূল্যের সাদা সোনা এবং কালো হীরে খচিত মাক্স বানিয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন চিনের এক ব্যবসায়ী।

বর্তমানে যিনি মার্কিনমুলুকের বাসিন্দা। মাক্সের ব্যবহার নিয়ে এর আগেও বহু কথা সংবাদ মাধ্যমে উঠে এসেছে। এমনকি ভারতের মতো দেশেও সোনার দাম যখন প্রতিগ্রামে ৫০ হাজার টাকা ভরি তখন অনেক ব্যবসায়ী করোনা বধের চেয়ে নিজেদের বিলাসিতা বজায় রাখতে বহুমূল্যের সোনার মাক্স মুখে দিয়েছেন।

এই ধরনের ঘটনা এতদিন আমাদের আশেপাশে শোনা গেলেও খোদ মার্কিনমুলুকে এই প্রথম বলে মনে করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, ওই চিনা ব্যবসায়ী তাঁর এই স্বর্ণ এবং হীরে খচিত মাক্সটি তৈরি করতে ১.৫ মিলিয়ন ডলারও খরচ করেছেন বলে জানা গিয়েছে।

সুদূর মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইজরায়েলের স্বর্ণকাররা তাঁর এই মাক্সটি তৈরির বরাত পেয়েছেন। মূল্যবান ধাতুর তৈরি এই মাক্সটি তৈরি যেমন ব্যয়বহুল তেমনই এটি সম্পূর্ণ করতে প্রয়োজন ১৮ ক্যারট সাদা সোনা এবং ৩,৬০০টি হীরে। সোনা এবং হীরে খচিত এই মাক্সটি তৈরি করার আগে ওই ব্যবসায়ী মাক্স প্রস্তুতকারক ইজরায়েলের ওই ইউরোপীয় সংস্থাটির কাছে তিনটি শর্ত আরোপ করেছিলেন।

শুধু তাই নয়,তাঁর আরোপিত সব শর্ত গুলি পূরণ করতে পারলেই তবেই তারা এই মাক্স তৈরি করতে পারবেন বলে জানা গিয়েছে।

শর্ত তিনটি হল:- ১.মাক্সটি অবশ্যই এন ৯৯ লেয়ার যুক্ত হবে। ২.এটি চলতি বছর ৩১ ডিসেম্বরের আগে তৈরি করে তাঁকে দিতে হবে। এবং শেষের শর্তটি ছিল সবথেকে আকর্ষণীয় এবং সহজ। আর সেটি হল, মাক্সটিকে অবশ্যই পৃথিবীর সবথেকে মূল্যবান মাক্স হতে হবে।

এ যেন ঠিক সম্রাট শাহজাহানের তাজমহল তৈরির মতোন ঘটনা। আর কেউ পৃথিবীতে তাজমহল তৈরি করতে পারবে না। তবে যাই হোক এমন দামী মাক্স তৈরির অর্ডার পেয়ে বেজায় খুশি ইজরায়েলের লাক্সারি ব্রান্ড ‘ইভেল’।

ওই সংস্থার কর্তপক্ষের কথায়,” করোনা আবহে অর্থনীতির যে হাল তাতে এই বাজারে চাকরি টিকিয়ে রাখা বেশ কষ্টকর ব্যাপার। টাকার ঘাটতি মেটাতে দেশ,বিদেশের বহু সংস্থা যখন কর্মী ছাঁটাইয়ের পথে হাঁটছে তখন এই ধরনের মাক্স বানানোর বরাত যেন তাঁদের কাছে শাপে বর।

সময়সাপেক্ষ এই মাক্সটি তৈরি করতে অনেক শ্রমিকের সাহায্যের প্রয়োজন। ফলে ওই ব্যবসায়ীর আজব চাহিদা পূরণ করতে গিয়ে অনেকেরই চাকরি বেঁচে গেল বলে মনে করা হচ্ছে।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।