তেহরান : চাঞ্চল্যকর ঘটনা। গুলিতে ঝাঁঝরা ইরানের শীর্ষ পরমাণু বিজ্ঞানী। বিজ্ঞানী মোহসেন ফকরিজাদের তিন বার সামনে থেকে গুলি করা হয়। এখানেই বেরিয়ে এসেছে উল্লেখযোগ্য তথ্য। একটি ফাঁকা গাড়িতে মেশিন গান রেখে রিমোট কন্ট্রোলের সাহায্যে গুলি করা হয় বলে তথ্য বেরিয়ে এসেছে।

ইরানের সংবাদ সংস্থা ফার্স জানিয়েছে মেশিন গান সমেত ওই গাড়িটি পরমাণু বিজ্ঞানীর গাড়ির কাছে চলে আসে। তারপরেই গুলি চলে। মোহসেন গাড়ির ভিতরে বসে ছিলেন। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। গত শুক্রবার ইরানের রাজধানী তেহরান থেকে কিছুটা দূরে অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীরা তাঁকে নিশানা করে গুলি চালায়।

ঝাঁঝরা হয়ে যায় তাঁর দেহ। ইরান সরকার জানিয়েছে ইজরায়েলের গুপ্তচর সংস্থা মোসাদ এই গোটা হত্যাকান্ডের পিছনে রয়েছে। ওই পরমাণু বিজ্ঞানী ইরানের পরমাণু প্রকল্পের জনক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ইরানের সব নেতাই ওই বিজ্ঞানীর হত্যাকান্ডের প্রতিশোধ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

ফার্স নিউজের এক রিপোর্টে জানা গিয়েছে নিজের গাড়িতে স্ত্রীকে নিয়ে যাচ্ছিলেন মোহসেন। তাঁর কনভয়ে নিরাপত্তাবাহিনীর তিনটি গাড়ি ছিল। সেই একটি গাড়িতে বুলেট লাগার শব্দ শুনে কনভয় থেমে যায়। গাড়ি থেকে বেড়িয়ে আসেন মোহসিন। সেই সুযোগে তাঁর ওপর গুলি বর্ষণ করে দুষ্কৃতীরা।

বিশেষ সূত্রে খবর মিলেছে ওই বিজ্ঞানীর গাড়ি থেকে ১৫০ মিটার দূরে ছিল আততায়ীদের গাড়ি। মোহসিনের নিরাপত্তারক্ষীর ওপরেও গুলি চলে।

ইরানের ধর্মীয় শীর্ষ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেইনি মোহসিনের এই হত্যাকান্ডের প্রবল বিরোধিতা করেছেন। এই হত্যার প্রতিশোধ যে কোনও মূল্যে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। সরকারি সংবাদমাধ্যম আল আলম জানিয়েছে যে অস্ত্র দিয়ে মোহসিনকে খুন করা হয়েছে, তা উপগ্রহ মারফত পরিচালিত ছিল। এই আকস্মিক হত্যা কান্ডে গোটা দেশ ক্ষুব্ধ। তবে জনগণকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার আবেদন জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রৌহানি।

পরমাণু বিজ্ঞানীর শেষকৃত্যে যোগ দিয়ে ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হাতামি জানান, কোনওভাবেই আততায়ীদের ছাড়া হবে না। প্রতিটি মানুষ প্রতিশোধ চাইছেন। ইরান সেই রাস্তাতেই হাঁটবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।