গাজা: গাজায় (Gaza) হামাসের রাজনৈতিক ও সামরিক শাখার প্রধানের বাড়ি লক্ষ্য করে বোমা হামলা ইজরায়েলি বাহিনীর। রবিবার সকালে এই হামলা চালিয়েছে ইজরায়েল (Israel) । হামাসও তেল আবিবে (Tel Aviv) রকেট হামলা চালিয়েছে। শরণার্থী শিবিরের ১০ সদস্যের পরিবারকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা। রাতভর বোমার শব্দ শোনা গেছে। আহত হয়েছেন অনেকে।

২০১৭ সাল থেকে তিনি হামাসের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তেল আবিব(Tel Aviv) ও ইজরায়েলের (Israel) দক্ষিণের শহর বিরসেবাতে হামলার ঘটনা ঘটেছে। সেখানে কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন। তাঁরা আশ্রয় ও চিকিৎসার জন্য যাচ্ছিলেন।

শনিবার ইজরায়েলি বিমান হানায় গাজা শহরের এক বহুতল বাড়ি উড়িয়ে দেয়। এই বহুতলে সংবাদ সংস্থা অ্যাসোসিয়েট প্রেস (এপি) এবং আল জাজিরার মতো আরও কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের অফিস ছিল। শনিবার এই হামলা চালানো হয় বলে খবর। এই বিল্ডিংয়ে বিমান হানা (Air Strike) কেন চালানো হল, তার কোনও ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি ইজরায়েলি সেনার তরফে। এই হামলার ফলে আপাতাত ওই এলাকা থেকে হামাস এবং ইজরায়েলি সেনার লড়াইয়ের কোনও খবর পাওয়া যাচ্ছে না। এই হামলার পরে আজ সকালেই তেল আবিব ও ইজরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলের শহরগুলোয় রকেট হামলা চালিয়েছে হামাস।

ইজরায়েলি সেনাবাহিনী গতকাল জানায়, সোমবার থেকে এ পর্যন্ত হামাস, ইসলামিক জেহাদ ও অন্য দলগুলো ২ হাজার ৩০০টি রকেট ছুড়েছে। তাদের দাবি, ইজরায়েল গাজায় এক হাজারের বেশি বিমান হামলা চালিয়েছে। হামাস ও অন্যান্য সন্ত্রাসী দলকে লক্ষ্য করে তারা এই হামলা চালিয়েছে। উল্লেখ্য, গত ৭ দিনের অশান্তিতে গাজায় প্রাণ গিয়েছে ১৪৯ জন প্যালেস্তিনীয়র। যাঁদের মধ্যে ৪১ জন শিশু। ইজরায়েলে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ২ জন শিশু রয়েছে।

ইজরায়েল-প্যালেস্তাইন রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের (Israel-Palestine Conflict) সপ্তম দিনে দাঁড়িয়ে চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু (Israel PM Netanyahu)। তিনি বলেছেন, ‘এখনই শেষ নয়। অপারেশন চলবে। এর শেষ দেখে ছাড়ব।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.