ওয়াশিংটন: যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনিক কর্তারা জানিয়েছেন, ইসরাইল ও সংযুক্ত আরব আমিরাত তাদের মধ্যকার সম্পর্ক স্বাভাবিক করার জন্য ১৫ই সেপ্টেম্বর হোয়াইট হাউজে আনুষ্ঠানিক ভাবে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করবে।

প্রশাসনিক কর্তাদের অভিমত, এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে দু দেশ থেকেই শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল আসবে । ইসরাইলি প্রতিনিধি দলের সম্ভবত নেতৃত্ব দেবেন সে দেশের প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতেনইয়াহু আর আমিরাতের নেতৃত্ব দেবেন সে দেশের যুবরাজের ভাই বিদেশমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন জায়েদ। গত ১৩ই আগস্ট দু দেশের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কুটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের সমঝোতা ঘোষণার এক মাস পর এই অনুষ্ঠান হতে যাচ্ছে ।

এই ঐতিহাসিক চুক্তি, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আসন্ন প্রেসিডেন্টনির্বাচনের আগে তাঁর বিদেশ নীতিতে বড় রকমের বিজয় এনে দিয়েছে। এই পরিবর্তিত মধ্যপ্রাচ্যে ঐতিহ্য অনুযায়ী প্যালেস্টাইনদের প্রতি আরব সমর্থনের পরিবর্তে, ঘোর শত্রু ইরানের বিষয়ে এক ধরণের অভিন্ন উদ্বেগ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

ঐ ঘোষণার পর দু দেশের মধ্যে প্রথম বানিজ্যিক উড়ান এবং টেলিফোন যোগাযোগ শুরু হয়েছে সেই সঙ্গে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইসরাইল বর্জন নীতি পরিহার করেছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।