দ্বীপ মানেই বুঝি নির্জনে কাটানো যাবে সময়। কিন্তু এই দ্বীপে আপনি ঢুকতেই পারবেন না। কারণ তা আপনার জন্যে নয়। এখানে থাকে বিড়াল। জাপানের সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হল তাদের সমাজের অংশ হিসেবে তৈরি করা বিখ্যাত “নেকো-শিমা”গুলো। নেকো-শিমা শব্দের বাংলা অর্থ করলে দাঁড়ায় ‘বিড়ালের দ্বীপ’। দ্বীপে সর্বত্র ছড়িয়ে আছে কেবল বিড়াল আর বিড়ালের পরিবার।

জাপানের সবচেয়ে বেশি বিখ্যাত বিড়ালের দ্বীপ হলো ‘আওশিমা’। তবে এছাড়াও তার পরেও জাপানের উপকূলজুড়ে বেশ কয়েকটি বিড়ালের দ্বীপ দেখতে পাবেন। এমনকি কিছু নোনা জলের হ্রদের ভেতরে গড়ে ওঠা দ্বীপও ‘নেকো-শিমা’ হিসেবে জায়গা পেয়েছে।

বিড়ালদের জন্য সুবিখ্যাত জাপানের দ্বিতীয় বৃহৎ দ্বীপটির নাম তাশিরো-জিমা। তবে ধীরে ধীরে বিড়ালের দ্বীপ বা নেকো-শিমাগুলো পর্যটকদের অন্যতম প্রধান আকর্ষণে পরিণত হওয়ায় জাপানে নতুন নতুন আরো অনেক দ্বীপ বিড়ালের জন্যে গড়ে উঠছে।

আরো পোস্ট- ৫৫৫ দিন বেঁচেছেন তাও আবার হৃৎপিন্ড ছাড়া!

জানা গেছে যে এই মুহূর্তে ১১ টি বিড়ালের দ্বীপ রয়েছে জাপানে। এগুলো হলো: ওকিশিমা, জেনকাইশিমা, তাশিরো-জিমা, সানাগিশিমা, আওশিমা, আইওয়াইশিমা, মুজুকিজিমা, মানাবেশিমা, আইজিমা, আইশিমা, কাদারাশিমা। এখন অনেকেই প্রশ্ন করতে পারেন যে এইসব দ্বীপে মানুষের বিপরীতে বিড়ালের অনুপাত কত? এই সংখ্যাটা একেক নেকো-শিমায় একেক রকম পাওয়া গিয়েছে।

যেমন- আওশিমা দ্বীপে একজন মানুষের বিপরীতে ১০ টির বেশি বিড়াল দেখা যায়। দ্বীপটিতে মাত্র ১৩ জন মানুষ থাকলেও সেখানে বিড়াল রয়েছে দেড় শতাধিক। অন্যদিকে, তাশিরো-জিমা দ্বীপে ১০০ জন মানুষের বিপরীতে ১০০ টি বিড়াল বসবাস করে। অর্থাৎ সেখানে মানুষ ও বিড়ালের অনুপাত ১:১। মানাবেশিমা দ্বীপেও ১:১ অনুপাতে ৩০০ মানুষের বিপরীতে বাস করে ৩০০টি বিড়াল।

বিংশ শতাব্দীর শুরুতে আওশিমা দ্বীপটি মাছ ধরার জন্য বিখ্যাত ছিল। তখন জেলেদের নৌকায় ইঁদুরের উৎপাতে তারা অতিষ্ঠ হয়ে যেতেন। এর সমাধান হিসেবে তারা নৌকায় বিড়াল পুষতে থাকেন ও তাদের সংখ্যা বাড়তে থাকে। আবার তাশিরো-জিমা দ্বীপে যারা বাস করতেন বাসিন্দারা তারা রেশম পোকার চাষ করতেন। রেশম পোকার টানে সারি সারি ইঁদুর আসতো। ফলে এই দ্বীপে একসময় ইঁদুরের উৎপাত সীমা ছাড়িয়ে যায়। তখন থেকে স্থানীয় বাসিন্দারা এখানে বিড়াল পোষার কথা ভাবেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.