স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: ইসলামপুরে দাড়িভিট উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র খুনের ঘটনায় তদন্ত করবে সিআইডি৷ জেলা পুলিশের থেকে তদন্তভার নিল সিআইডি৷ কেস ডাইরি খতিয়ে দেখতে ইসলামপুর যাবেন সিআইডির তদন্তকারীরা৷ কথা বলবেন সাক্ষীদের সঙ্গে৷

গুলিতে মৃত ছাত্র রাজেশ সরকারের পরিবার অবশ্য সিআইডি তদন্তের নির্দেশে আশ্বস্ত নয়৷ মৃত ছাত্রের বাবার বক্তব্য, ‘আমার ছেলেকে রাজ্য সরকারের পুলিশই মেরেছে৷ সেই ঘটনার তদন্ত সঠিকভাবে রাজ্য তদন্তকারী সংস্থা করবে না৷ তাই আমরা সিবিআই তদন্তেরই দাবি জানাচ্ছি৷’’

গত ২০শে সেপ্টেম্বর শিক্ষক নিয়োগকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে ওঠে ইসলামপুরের দাড়িভিট উচ্চ বিদ্যালয়৷ বাংলা ও অঙ্কের বদলে সংস্কৃত এবং উর্দুর শিক্ষক নিয়োগ হওয়ায় আন্দোলন শুরু করে পড়ুয়ারা৷ সেই আন্দোলনেই চলে গুলি৷

গুলি লেগে ঘটনার দিনই মৃত্যু হয় রাজেশ সরকার নামে এক ছাত্রের৷ পরে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে মৃত্যু হয় অরেক ছাত্র তাপস বর্মনের৷ পুলিশের গুলিতেই দুই পড়ুয়ার মৃত্যু হয় বলে দাবি করা হয়৷ ঘটনায় উত্তাল হয় রাজ্য রাজনীতি৷ ২২শে সেপ্টেম্বর দাড়িভিটে গিয়ে জনতার রোষে পড়েন রাজ্যের মন্ত্রী গোলাম রব্বানি ও বিধায়ক কানাইয়ালাল আগারওয়াল৷

 

মৃত দুই ছাত্রই তাদের সমর্থক বলে দাবি করে এবিভিপি৷ বিদেশ সফর থেকেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দেন পুলিশ গুলি চালায়নি৷ উলটে তিনি অভিযোগ আন্দোলনে উস্কানি ছিল বিজেপি ও আরএসএসের৷ ঘটনা আড়াল করতেই রাজ্য সরকারের এই দাবি বলে অভিযোগ বিরোধীদের৷

গুলি কে চালাল? কার নির্দেশে চলেছিল? ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য সিবিআই তদন্তের দাবি করে বিজেপি সহ বিরোধীরা৷ ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার বাংলা বনধ পালন করে গেরুয়া ব্রিগেড৷

বৃহস্পতিবার দাড়িভিট উচ্চ বিদ্যালয়ে গুলিতে ছাত্র মৃত্যুর তদন্তভার সিআইডির হাতে তুলে দিল রাজ্য সরকার৷ ঘটনার তদন্তে আগামীকালই ইসলামপুর যাবেন সিআইডি গোয়েন্দারা>

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.