ইসলামাবাদ:  নজিরবিহীন নির্দেশিকা জারি করল পাকিস্তানের ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি! তাঁদের নির্দেশিকা মোতাবেক এবার থেকে হস্টেলে এক বিছানা শেয়ার করতে পারবে না মেয়েরা, তা কঠোর ভাবে নিষিদ্ধ। এক বিছানা থেকে আরেকটির মধ্যে অন্তত ২ ফুটের ব্যবধান রাখতে হবে। যদি দেখা যায়, নির্দেশ না মেনে কোনও মেয়ে সহপাঠীর বিছানায় শুয়েছে বা দুজনে একই চাদর গায়ে চড়িয়ে বসেছে, তার শাস্তি চড়া আর্থিক জরিমানা।  বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্দেশিকা ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্ক।  এমনকি, সোশ্যাল মিডিয়াতে এহেন নির্দেশিকা নিয়ে শুরু হয়েছে নানারকম মজা, বিদ্রুপ! যদিও এই বিষয়ে মাথা ঘামাতে নারাজ বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ।

তাঁদের দাবি, একই শয্যা ভাগ করলে সমকামী হওয়ার প্রবণতা বাড়তে পারে।  আর তা ছড়াতেই এমন পদক্ষেপ বলে জানানো হয়েছে!

করাচির জনৈক কমিক শিল্পী শেহজাদ গিয়াস শেখ ওই সার্কুলারের ছবি সোস্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে মজার মন্তব্য করেছেন। লিখেছেন, একই বিছানা ভাগ করলে যদি যৌন পছন্দ, লিঙ্গ পরিচয় বদলে যেত, তবে তো পাকিস্তানের প্রত্যেক গরিব, মধ্যবিত্ত মানুষের পুরুষ বা মহিলা সমকামী হয়ে যাওয়ার কথা।  এবার কি তবে মাঝরাতে মেয়েদের হস্টেলের দরজা ভেঙে ঢুকে লাঠি হাতে পুলিশ মেপে দেখবে, বিছানার মাঝখানে কতটা ফাঁক আছে!

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।