নয়াদিল্লি: হাতে আর সময় মাত্র ৪৮ ঘন্টার মতো। আর তারপরেই করোনা আবহে রুদ্ধদ্বার স্টেডিয়ামে শুরু হয়ে যাবে আইএসএলের সপ্তম সংস্করণ। দর্শকশূন্য পরিমন্ডলে যেহেতু খেলা তাই মাঠে গিয়ে প্রিয় দলকে সমর্থন করা থেকে বঞ্চিত হবেন সমর্থকেরা। সেকারণেই সমর্থকদের কথা ভেবে বেশ কিছু উদ্যোগ গৃহীত হচ্ছে আইএসএল কর্তৃপক্ষের তরফে। ইতিমধ্যেই স্টেডিয়ামে ‘ফ্যান ওয়াল’ বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত হয়েছেন অনুরাগীরা।

আর বুধবার আইএসএল এবং জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম টুইটারের যৌথ উদ্যোগে আইএসএলের বিভিন্ন দলগুলোর জন্য প্রকাশিত হল দু’টি করে হ্যাশট্যাগ এবং ইমোজি। আইএসএলের নিজস্ব হ্যাশট্যাগ ধরলে সর্বমোট ১২টি ইমোজি এবং ২৪টি হ্যাশট্যাগ প্রকাশ করল টুইটার ইন্ডিয়া। আইএসএল শুরু হলে এই হ্যাশট্যাগগুলো ব্যবহার করে টুইটারে প্রিয় দলের সমর্থনে কোনও কিছু পোস্ট করতে পারবেন সমর্থকেরা। যেহেতু বিভিন্ন দলের সমর্থকেরা টুইটারে আজকালকার দিনে অনেক বেশি সক্রিয় তাই একমাত্র টুইটারেই এই হ্যাশট্যাগ ট্রেন্ডিং চালু করল টুইটার। তবে সমর্থকদের কথা ভেবে আইএসএলের এই উদ্যোগ ব্যাপক প্রশংসনীয়।

প্রতিটি দলের জন্য বরাদ্দ নির্দিষ্ট হ্যাশট্যাগগুলো টুইটারে ব্যবহার করলে সংশ্লিষ্ট দলের লোগো আপনা-আপনি ভেসে উঠবে মোবাইল কিংবা ল্যাপটপের স্ক্রিনে। আর কোন দলের সমর্থক কত বেশি নিজেদের দলের হয়ে গলা ফাটাচ্ছেন তা জানা যাবে ট্রেন্ডিংয়ে কোন দলের হ্যাশট্যাগ কত নম্বরে রয়েছে তার উপর ভিত্তি করে। টুইটার ইন্ডিয়ার তরফ থেকে এদিন প্রকাশিত হয় দলগুলোর হ্যাশট্যাগ এবং ইমোজি। পরে আইএসএলের পেজ থেকেও শেয়ার করে অনুরাগীদের সেগুলি সম্পর্কে অবগত করা হয়।

এবার দেখে নেওয়া যাক কোন দলের সমর্থকেরা কোন হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করবে:
এসসি ইস্টবেঙ্গল – #WeAreSCEB or #ChhilamAchiThakbo
জামশেদপুর এফসি – #JamKeKhelo or #जमकेखेलो
ওডিশা এফসি – Odisha FC: #OdishaFC or #ଆମଟିମ୍ଆମଗେମ୍
বেঙ্গালুরু এফসি – #WeAreBFC or #ನಮ್ಮಬೆಂಗಳೂರು
মুম্বই সিটি এফসি – #MumbaiCity or #AamchiCity
কেরালা ব্লাস্টার্স – #WhyWePlay or #YennumYellow
হায়দরাবাদ এফসি – #HyderabadFC or #HarKadamNayaDum
চেন্নাইয়িন এফসি – #AllInForChennaiyin or #AattamReloaded
এফসি গোয়া – #ForcaGoa or #RiseAgain
এটিকে-মোহনবাগান – #Mariners or #JoyMohunBagan
নর্থ-ইস্ট ইউনাইটেড এফসি – #StrongerAsOne or #NEUFC

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I