সিসিটিভিতে চিহ্নিত জুলহাজ হত্যার তিন খুনি

ঢাকা:একের পর এক ব্লগারকে খুন, রাজশাহীতে অধ্যাপককে প্রকাশ্যে হত্যা ও সমকামী পত্রিকার সম্পাদক জুলহাজ মান্নানকে ঘরে ঢুকে খুনের ঘটনায় সন্ত্রস্ত বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবী মহল৷ প্রতিটি খুনের পিছনে আইএস ও আলকায়দা ভারতীয় উপমহাদেশ শাখা জড়িত বলে দাবি করছে বিভিন্ন সংগঠন৷ সেই দাবিকে আরও পোক্ত করলেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকট৷ বুধবার বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের সঙ্গে দেখা করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত৷ বৈঠক শেষে তিনি জানান, বাংলাদেশে আইএস আছে এবং তারাই এসব হত্যাকাণ্ড ঘটাচ্ছে৷ ঘটনায় তীব্র অস্বস্তিতে শেখ হাসিনা সরকার৷ বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী দাবি করেছেন, দেশে আইএস জঙ্গিদের কোনও অস্তিত্ব নেই৷ সম্প্রতি আইএসের মুখপত্র বলে পরিচিত দাবিক ম্যাগাজিনে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, বাংলাদেশকে ভিত্তিকে করে ভারত ও মায়ানমারে আক্রমণ চালানোর পরিকল্পনা নিচ্ছে ইসলামিক স্টেট৷  সেই দাবিকেও উড়িয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ সরকার৷ বুধবার ঢাকার মার্কিন রাষ্ট্রদূত জানান, বাংলাদেশে খুন করে নিশ্চিন্তে বাইরে চলে যাচ্ছে খুনিরা৷ তিনি যেভাবে বাংলাদেশে আইএস জঙ্গিদের সক্রিয়তা নিয়ে মুখ খুলেছেন তাতে বিড়ম্বনা আরও বাড়ল প্রতিবেশী রাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রীর৷  মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকটের মন্তব্য নেহাতই আবেগের বশে করা৷ জানিয়েছেন বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী৷  নিহত জুলহাজ মান্নান মার্কিন দূতাবাসে একসময় কাজ করতেন৷ তাঁকে খুব কাছে থেকে দেখেছেন মার্শা বার্নিকট৷ তাই তিনি আবেগের বশে ইসলামিক স্টেট জঙ্গি সংগঠনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন৷ এমনই জানান বাংলাদেশের স্বারাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান৷  জঙ্গিদের হাতে নিহত জুলহাজ মান্নান বাংলাদেশের প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী দীপু মনির মাসতুতো ভাই৷  বাংলাদেশের প্রথম সমকামীদের নিয়ে ম্যাগাজিন রপবান-এর সম্পাদকীয় বিভাগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন৷ ঢাকার কলাবাগানের যে বাড়িতে ঢুকে জুলহাজ ও এক নাট্যকর্মী তনয়কে খুন করা হয়েছে সেখানকার  সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তিন খুনিকে চিহ্নিত করেছে পুলিশ৷  তাদের খোঁজে পেতে নেমে পড়েছেন গোয়েন্দারা৷

 

 

 

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.