শ্রীনগরঃ অতর্কিতেই কেন্দ্রীয়বাহিনীর উপর হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন একজন জওয়ান। গুরুতর আহত আরও এক। দক্ষিণ কাশ্মীরের অনন্তনাগ জেলায় হামলার দায় স্বীকার করেছে টেরর গ্রুপ ইসলামিক স্টেট।

ভয়াবহ এই ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যেই দায় স্বীকার করেছে আইএস। যদিও উপত্যকায় ইসলামিক স্টেটের অস্তিত্ব বেশ অল্প। হামলার স্বীকারোক্তিতে আইএস জানিয়েছে, “খলিফাদের সৈন্যরা কাশ্মীরের বিজবেহারা এলাকায় ভারতীয় পুলিশদের জমায়েতকে নিশানা করেছে”।

শ্রীনগর থেকে ৪২ কিলোমিটার দূরে বিজবেহারার ওই হামলায় প্রধান কনস্টেবল শিব লাল নিতাম মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রাণ হারিয়েছেন।

সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ একজন গোরিয়ান চক এলাকায় কেন্দ্রীয়বাহিনীর পেট্রোল-পার্টিকে নিশানা করে গ্রেনেড হামলা চালায় এবং সেখান থেকে সফলভাবে পালিয়ে যায়, এমনটাই জানিয়েছেন আধিকারিকরা।

মঙ্গলবার সকালেও সীমান্তে গোলাগুলি চালায় পাক বাহিনী। জম্মু-কাশ্মীরের পুঞ্চ জেলায় এ দিন সকাল ৭.৪৫ মিনিট নাগাদ সীমান্তের ওপার থেকে গোলাগুলি উড়ে আসে। এই নিয়ে নিয়ন্ত্রণরেখায় টানা দু-দিন ধরে সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে চলেছে ইমরান খানের দেশ। এপার থেকে কোনওরকম উসকানি ছাড়াই পাকিস্তান গোলাগুলি চালায় বলে ভারতীয় সেনার তরফে জানানো হয়েছে।

গ্রেনেডের সপ্লিন্টারে গুরুতর জখম হন হেড কনস্টেবল শিবলাল নীতম-সহ ২ জন। স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে, হেড কনস্টেবলকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।

মঙ্গলবার হামলার পর জঙ্গিরা সেখান থেকে পালিয়ে যায়। ঘটনার পর সেনা আর সিআরপিএফ গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে। এই ঘটনার পর গোটা এলাকা ঘিরে সার্চ অপারেশন চালানো হয়। যদিও সার্চ অপারেশনে সেনার হাতে কোন সফলতা আসেনি।

অন্যদিকে, বুধবার সাতসকালে এনকাউন্টার শুরু হয়েছে জম্মু কাশ্মীরের বারমুল্লা জেলার সোপোরের গুলবাদ এলাকায়। ২২ রাষ্ট্রীয় পুলিশ, সোপোর পুলিশ ও ১৭৯ সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স একসঙ্গে এই অপারেশনে নেমেছেন।

জম্মু ও কাশ্মীরের কেরান সেক্টরে কুপওয়াড়ায় এই জঙ্গিদমন আভিযান চালিয়েছিল। গত ৩ এপ্রিল থেকে এই অভিযান চলছে। এখনও জারি আছে সেই অভিযান।