ঢাকা: ধারণা সত্যি করেই পুলিশ চেকপোস্টে বোমা হামলার দায় নিল আইএস জঙ্গি সংগঠন। বাংলাদেশে তাদের শাখা যে ছড়িয়েছে তা আগেই গোয়েন্দা রিপোর্টে উঠে এসেছে।

শনিবার রাতে ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ সায়েন্স ল্যাব মোড়ে এই হামলায় দুই পুলিশকর্মী জখম হয়েছেন। বিস্ফোরণের ঘটনায় ছড়িয়েছে আতঙ্ক। এর আগে একই কায়দায় বিস্ফোরণ ঘটিয়ে দায় নিয়েছে আইএস।

রবিবার এই বোমা হামলার বিষয়ে আইএসের দায় স্বীকারের তথ্য পরিবেশন করে আন্তর্জাতিক জঙ্গি কার্যকলাপ বিশ্লেষণকারী মার্কিন সংস্থা সাইট ইন্টেলিজেন্স।

তাদের রিপোর্টে বলা হয়েছে, ঢাকায় পুলিশকে লক্ষ্য করে অত্যাধুনিক আইইডি বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে আইএস। শনিবার রাতে ঢাকার মিরপুর রোডের সায়েন্সল্যাব মোড়ে এই হামলা চালানো হয়। তখনও রাস্তায় ভিড়। জনবহুল এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়ায়।
বারবার হামলার লক্ষ্য পুলিশ:

১. গত ২৯ এপ্রিল অন্যতম জনবহুল এলাকা গুলিস্তানের ট্রাফিক পুলিশ পোস্টে আইইডি বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এতে ট্রাফিক পুলিশের দুই কর্মী একজন কমিউনিটি পুলিশ জখম হন।
২.প্রায় এক মাসের মাথায় ২৬ মে রাতে রাজধানী শহরের মালিবাগে পুলিশের পিক-আপ ভ্যানে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এতে ট্রাফিক পুলিশ সহ কয়েকজন জখম হন।
৩. গত ২৩ জুলাই রাতে ঢাকার অতি গুরুত্বপূর্ণ পল্টন ও খামারবাড়ি পুলিশ চেকপোস্টে ফেলে রাখা বোমা উদ্ধার করা হয়।

প্রতি ক্ষেত্রেই উঠে আসছে আইএস জঙ্গি সংগঠনের নাম। পরপর হামলার চরিত্র খতিয়ে দেখছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দারা। তাদের ধারণা, একাধিক অভিযানে যেভাবে জঙ্গিদের নিকেশ করা হয়েছে তার পর ভীতি ছড়াতেই এই কৌশল নিচ্ছে জঙ্গিরা।

সম্প্রতি আইএস জঙ্গি সংগঠন বাংলা বিবৃতি ও পোস্টার দিয়ে বলা হয় তীব্র হামলা চালানো হবে। তখনই প্রশ্ন উঠেছিল এই জঙ্গি সংগঠন এবার বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গকে টার্গেট করেছে। একইভাবে আল কায়েদার ভারতীয় উপমহাদেশ শাখার তৎপরতা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

কিন্তু বাংলাদেশর রাজধানীতে যেভাবে পুলিশকে লক্ষ্য করেই হামলা হচ্ছে ও তার দায় নিচ্ছে ইসলামিক স্টেট তাতে গোয়েন্দাদের ধারণা, পুলিশের মনোবল ভাঙতেই এইরকম পদক্ষেপ।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ