নয়াদিল্লি: প্রজাতন্ত্র দিবসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আত্মঘাতী বোমারু হতে পারে শিশুরা। প্রজাতন্ত্র দিবসের ৪৮ ঘণ্টা আগে এমনই আশঙ্কার বার্তা দিল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা বাহিনী।

গোয়েন্দা সূত্রের খবর, ফিদায়েঁ হামলার ছকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উপর নাশকতার ছক কষছে আইএস জঙ্গি সংগঠন। প্রধানমন্ত্রীর উপর হামলায় শিশুদের ব্যবহার করার পরিকল্পনা করেছে আইএস। তবে একেবারে শিশু নয়, ১২ বছর থেকে ১৫ বছরের কিশোরদেরই ব্যবহার করার পরিকল্পনা করেছে আইএস। বয়স কম হলেও মেশিনগান, বন্দুক সহ বিস্ফোরক ব্যবহারে পটু এই কিশোরেরা। এরা স্কুলের পোশাক পড়ে স্কুল ছাত্রদের সঙ্গে মিশে থাকতে পারে বলে গোয়েন্দা সূত্রের খবর। ইতিমধ্যে আইএসের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বেশ কিছু কিশোর সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে চলে এসেছে বলেও সূত্রের খবর।

গোয়েন্দা বাহিনীর এই সতর্কবার্তা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। কেননা সম্প্রতি আইএস একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, নাশকতা হামলার অস্ত্রসমূহ, মেশিনগান, রকেট লঞ্চারস ব্যবহারের প্রশিক্ষণ নিচ্ছে কিশোররা। তাই প্রধানমন্ত্রীর উপর হামলায় শিশুদের আত্মঘাতী বোমারু হওয়ার আশঙ্কা অমূলক নয়। এজন্য প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে প্রবেশের মুখে সাধারণ মানুষ সহ স্কুল ছাত্রদের উপরও বিশেষ তল্লাশি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দিল্লি পুলিশ। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর জন্য বিশেষ নিরাপত্তা তো থাকছেই। তবে এই নাশকতা রুখতে নরেন্দ্র মোদীকেও সহায়তা করার অনুরোধ করেছে পুলিশবাহিনী। কেননা গত বছর স্বাধীনতা দিবসে রেড ফোর্টে নরেন্দ্র মোদী নিরাপত্তার বেড়াজাল ভেঙে ছাত্রছাত্রীদের কাছে গিয়েছিলেন। সেই ঘটনাকে মাথায় রেখেই ছাত্রবেশী কিশোরদের আত্মঘাতী বোমারু করার পরিকল্পনা আইএস করেছে বলে পুলিশের অনুমান। তাই এ বছর প্রধানমন্ত্রী যাতে গত বছরের স্বাধীনতা দিবসের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না করেন এবং নিরাপত্তার বেষ্টনী না ভাঙেন, সেজন্য তাঁকে বিশেষ অনুরোধ করা হয়েছে বলে দিল্লি পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।