নয়াদিল্লি : ক্রমশ সক্রিয় হয়ে উঠছে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। এবার মহিলা জঙ্গি নিয়োগ চালু করেছে তারা। এই মহিলা জঙ্গিরা মূলত প্রাথমিক পর্যায়ের কাজগুলো করবে বলে জানা গিয়েছে।

আইএসআইয়ের নয়া ছক কাশ্মীরে সক্রিয় মডিউল বা জঙ্গিদের অর্থ সাহায্য করে সন্ত্রাসের পরিমাণ বৃদ্ধি করা। গোয়েন্দা সূত্রের খবর আইএসআইয়ের পাঠানো মহিলা জঙ্গিরা সামনের সারিতে থেকে হামলা চালাবে, যাতে মূল জঙ্গিরা বেঁচে যেতে পারে ও গ্রেফতার না হয়।

মূলত কাশ্মীরে সক্রিয় জঙ্গিদের নিরাপত্তা দেওয়ার কাজ করবে এরা। এজন্য বিশেষ পরিমাণ অর্থ পাবে তারা। সেই অর্থ আসবে পাকিস্তান থেকে। সম্প্রতি জম্মু পুলিশ ডোডা থেকে লস্কর ই তইবাকে অর্থ সাহায্য করা এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে। টিফিন বক্সের মাধ্যমে টাকা লেনদেন করত সেই ব্যক্তি বলে জানা গিয়েছে।

একটি টিফিন বক্স থেকে প্রায় দেড় লক্ষ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। নিরাপত্তা আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, মহিলা জঙ্গিদের নিয়ে বেশ কয়েকটি গ্রুপ তৈরি করা হয়েছে। এরা কাশ্মীরে ছড়িয়ে পড়েছে। এদের সাহায্যেই কাশ্মীরের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে যেতে পারছে জঙ্গিরা।

এমনকী পাকিস্তান থেকে অনুপ্রবেশেও সাহায্য করছে এই মহিলা জঙ্গিরা বলে খবর। একদম সাধারণ বেশভূষা নিয়ে কাশ্মীরে ঘুরছে এরা বলে জানানো হয়েছে। মোবাইল ফোনের সাহায্যে জঙ্গিদের মধ্যে যোগাযোগ বজায় রাখা থেকে শুরু করে অর্থ সাহায্য করা, সব কিছুতেই যুক্ত রয়েছে এই মহিলা জঙ্গিরা।

গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন এদের সাহায্যে প্রায় ৩৮০ জন জঙ্গি সীমান্তের এপারে অনুপ্রবেশ ঘটাতে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে। এই কারণেই পাক সেনার সঙ্গে গুলির লড়াইয়ের পরিমাণ বাড়ছে ভারতীয় সেনার। ভারতীয় সেনাকে সংঘর্ষে ব্যস্ত রেখে অনুপ্রবেশে মদত দিচ্ছে পাক সেনা বলে খবর। এর আগে জানা গিয়েছিল অযোধ্যা ও নয়াদিল্লিতে নাশকতা করার জন্য প্ল্যান করেছে পাকিস্তানের আইএসআই।

এনডিটিভি জানাচ্ছে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন লস্কর ই তইবা ও জইশ ই মহম্মদ এই ষড়যন্ত্রে সামিল হয়েছে। ১৫ই অগাষ্ট লালকেল্লায় স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে নাশকতা হতে পারে, এরকমও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন গোয়েন্দারা।

এর আগে, ১৫ই অগাষ্ট অর্থাৎ স্বাধীনতা দিবসের দিন নাশকতা হতে পারে নয়াদিল্লিতে বলে জানা গিয়েছিল। নিরাপত্তা বাড়ানো হয় দিল্লির। জম্মু কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে নেওয়ার জেরেই এই নাশকতা চালানো হতে পারে বলে খবর।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।