পরাগ মজুমদার,মুর্শিদাবাদ: সংক্রমক  ব্যাধির মত এবার “বোমা “উদ্ধার ব্যাধিও বীরভূমের গন্ডি ছাড়িয়ে মুর্শিদাবাদের মাটিতে পা রাখল বলাই যেতে পারে। মুর্শিদাবাদ জেলার কান্দির মহকুমার পাশেই অবস্থান করছে বীরভূমের বর্ডার। যদিও মঙ্গল বারের  মুর্শিদাবাদের বিপুল বোমা উদ্ধারের ঘটনায় অন্য কোনও মিসিং লিংক আছে কিনা তা আগামী দিনে তদন্তে বেরিয়ে আসবে৷ এর সঙ্গে ‘বীরভূম’ ঘটনার যোগ ও আছে কিনা তাও  তদন্ত সাপেক্ষ।
মঙ্গলবার সোর্স মারফত খবর পেয়ে কান্দী থানার পুলিশ হিজল এলাকার নতুনগ্রামের একটি বাড়ি  থেকে প্রচুর বোমা উদ্ধার করে৷ সোমবার রাতভর থেকে দফায় দফায় শুরু হয় এলাকা জুড়ে তল্লাশি অভিযান। বাড়ির মালিক  তথা গ্যাস ডিলার গিয়াসুদ্দিন শেখের নিজের বাড়ির একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে ৬টি ড্রাম ও একটি বস্তা থেকে প্রচুর সকেট বোমা বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। ঘটনাস্থলে বম্ব স্কোয়াড তল্লাশি শুরু করেছে। প্রথমে উদ্ধার হওয়া তাজা বোমার সংখ্যা নিয়ে ধোঁয়াশা শুরু হয়। কেউ বলেন পঞ্চাশ,কেউ বলেন বা “একশো দুশো’।

পুলিস সূত্রে জানা যায়, পরিত্যক্ত গোডাউনের ড্রাম থেকে উদ্ধার হওয়া বোমার সংখ্যা 71 টি। তল্লাশি  শুরুর আগে থেকেই অভিযুক্ত গিয়াসুদ্দিন শেখ সহ বাড়ির সকলেই এলাকাছাড়া হয়ে যায়। গ্রামের  কোথাও আরো বোমা মজুত  রয়েছে কি না তা জানতে চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছে বোম্ব স্কোয়াড ও কান্দি থানার পুলিশের বিশেষ দল। কান্দি মহকুমা পুলিশ সুপার ইন্দ্রজিৎ কর্মকার বলেন “ওই ছটি ড্রামের বালির মধ্যে থাকা  সব কটি বোমা নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে, পুলিশি টহল এলাকায় বহাল রয়েছে৷ গ্রামের মানুষের আতঙ্কিত হবার কিছু নেই,বাড়ির মালিক কে ধরতে তল্লাশি শুরু হয়েছে”।