সিডনি: একটি চালু হিন্দি প্রবাদ আছে। যা বাঙালিদের কাছেও অত্যন্ত জনপ্রিয়। “সানডে হো ইয়া মনডে, রোজ খাও আনডে।” আপনিও যদি এই কথায় বিশ্বাস রাখেন, তবে সাবধান সতর্ক হয়ে যান। অস্ট্রেলিয়ান গবেষণায় প্রকাশ, প্রতিদিন একটি ডিম খেলে টাইপ -২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ৬০ শতাংশ বেড়ে যায়।

৮,৫৪৫ জন চিনা যুবকের ওপর করা এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, প্রচুর পরিমাণে ডিম খাওয়ার এবং শরীরে হাই ব্লাড সুগার লেভেলের মধ্যে পজিটিভ কানেকশন রয়েছে। তাই ডিম খাওয়া ভালো হলেও, প্রতিদিন ডিম খাওয়ার আগে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।

ডিম বিশ্বজুড়ে অত্যন্ত দরকারি এবং পুষ্টিকর হিসাবে বিবেচিত হয়। শুধু তাই নয় ‘স্বাস্থ্যকর ফাস্টফুড’ হিসাবেও ডিমের সুখ্যাতি রয়েছে। আগে বলা হয়েছিল প্রতিদিন ডিম খাওয়ার ফলে ডায়াবেটিস হয় না, তবে সর্বশেষ গবেষণায় এই দাবিটি উল্টে গেছে।

আরও পড়ুন – আগের মডেলের থেকে কম দামে ভারতের বাজারে হাজির ktm-এর নতুন বাইক

সর্বশেষ গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রতিদিন একটি ডিম খেলে আপনার ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার গবেষক ড. মিং লি বলেছেন, এই গবেষণার উদ্দেশ্য হল, ডিম খাওয়ার দীর্ঘমেয়াদী ঝুঁকি থেকে মানুষকে সচেতন করা।

এই গবেষণায় বিশেষত চিনের লোকদের টার্গেটে রাখা হয়েছিল। ১৯৯১ থেকে ২০০৯ সালের মধ্যে, চিনে ডিম খাওয়ার লোকের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে। অন্যদিকে অপর একটি চমকে ওঠার খবর হল, বিশ্বব্যাপী ডায়াবেটিসের চিকিত্সার জন্য ১০০ কোটি টাকা খরচ হয়। যা কিনা স্বাস্থ্য খাতে মোট খরচের ১০ শতাংশ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।