নয়াদিল্লি : মঙ্গলবার থেকে সীমিত রেল পরিষেবা চালু করা হচ্ছে।তার আগে সোমবার বিকেল ছটায় খুলে দেওয়া হয় আইআরসিটিসির ওয়েবসাইট। অনলাইন টিকিট বুকিংয়ের জন্য এত মানুষ লগ ইন করেন এই ওয়েবসাইটে, যে সেই চাপ নিতে পারেনি আইআরসিটিসি। বুকিং খোলার কিছুক্ষণের মধ্যেই স্তব্ধ হয়ে যায় সেটি। সমস্যায় পড়েন বহু মানুষ। দুঃখপ্রকাশ করে রেল মন্ত্রক জানায় খুব দ্রুত ফের টিকিট বুকিং শুরু হবে।

পড়ুন আরও- walk in interview: স্বাস্থ্য পরিষেবা দিতে প্রচুর স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের সিদ্ধান্ত

রেলের পক্ষ থেকে ট্যুইট করে জানানো হয়, আইআরসিটিসির ওয়েবসাইটে স্পেশাল ট্রেনের টিকিট বুকিংয়ের তথ্য দেওয়া হলেও কিছু সমস্যার কারণে তা স্তব্ধ হয়ে পড়েছে। খুব দ্রুত ফের টিকিট বুকিংয়ের কাজ শুরু হবে। যাত্রীদের অপেক্ষা করতে বলা হচ্ছে। এই সমস্যার জন্য দুঃখিত। ৪টের সময় বুকিং শুরু হওয়ার কথা থাকলেও ৬টায় তা শুরু হয় বলে জানায় রেলমন্ত্রক।

পড়ুন আরও- ট্রেনের টিকিট বুকিংয়ের সময় পিছিয়ে দিল রেল

মন্ত্রক জানিয়েছে সোমবার বিকেল ৪ টে থেকে অনলাইনে টিকিট বুকিং করার কথা ছিল। কিন্তু সেই সময় পিছিয়ে দিয়েছে আইআরসিটিসি। সন্ধে ৬টা থেকে শুরু হয় বুকিং। এদিন বিকেল ৪টে থেকে টিকিট বুকিং-এর প্রক্রিয়া চালু হলেও, আইআরসিটিসির ওয়েবসাইট ক্র্যাশ করে যায়। গতি কমে আসে ওয়েবসাইটের তথ্য প্রকাশ করার কাজের। ফলে বুকিং প্রক্রিয়া প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়।

এরপরই আইআরসিটি জানায় যে ডেটা আপলোড হচ্ছে, তাই সময় পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে দিনে ১৫ জোড়া ট্রেন চালানো হবে বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী। প্রাথমিকভাবে এই ট্রেনগুলি চালানো হবে দিল্লি থেকে। যেসব জায়গায় প্রাথমিকভাবে ট্রেন চালানো হবে, সেগুলি হল, ডিব্রুগড়, হাওড়া, পাটনা, বিলাসপুর, রাঁচি, ভুবনেশ্বর, সেকেন্দ্রাবাদ, বেঙ্গালুরু, চেন্নাই, তিরুঅনন্তপুরম, মাদগাঁও, মুম্বই সেন্ট্রা, আমেদাবাদ ও জম্মু তাউই। ট্রেনের ভাড়া সুপার ফাস্ট ট্রেনের সমান হবে বলে জানানো হয়েছে।

এদিকে, টিকিট বুকিং-এর সব ব্যবস্থা থাকছে অনলাইনে। তবে, খাবার বুক করা যাবে না। আগে যেভাবে আইআরসিটিসি থেকে টিকিটের পাশাপাশি খাবারও বুক করা যেত, এখন থেকে সেই ব্যবস্থা আর থাকছে না। ট্রেনের ওঠার পর খাবার খেতে গেলে টাকা দিয়ে কেনার ব্যবস্থা থাকছে।

যদিও, কিছু নির্দিষ্ট জিনিসই কেনা যাবে। খুব বেশি খাবার পাওয়া যাবে না। তবে যাত্রীদের প্রয়োজনে কিছু খাবারের ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। থাকছে শুকনো খাবার ও জল। কিন্তু রেল কর্তৃপক্ষ উৎসাহ দিচ্ছে যাতে প্রত্যেক যাত্রী নিজেদের খাবার ও জল নিয়েই ট্রেনে ওঠে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.