নয়াদিল্লি : পুজোর মুখে ভালো খবর। নবরাত্রি উপলক্ষ্যে বিশেষ ট্রেন চালাবে আইআরসিটিসি। জানা গিয়েছে তেজস এক্সপ্রেস চালাতে শুরু করবে এই সংস্থা। ইন্ডিয়ান রেলওয়ে ক্যাটারিং অ্যান্ড ট্যুরিজমের পক্ষ থেকে জানা গিয়েছে লখনউ থেকে নয়াদিল্লি ও আহমেদাবাদ থেকে মুম্বই রুটে এই বিশেষ ট্রেন চলবে।

১৭ই অক্টোবর থেকে শুরু হতে চলেছে এই পরিষেবা। বুধবার আইআরসিটিসি এই তথ্য দিয়েছে। ইতিমধ্যেই এই বিশেষ ট্রেন চালানোর বিষয়ে ছাড়পত্র দিয়েছে রেল মন্ত্রক। তেজস এক্সপ্রেসের যাতায়াত করোনা সংক্রমণের জন্য বন্ধ ছিল। সেই দুটি ট্রেনই এবার চালু করা হচ্ছে। ১৯শে মার্চ থেকে বন্ধ ছিল তেজস এক্সপ্রেসের যাতায়াত।

বেশ কিছু স্বাস্থ্যবিধি মেনে ট্রেন চালানোর কথা বলা হয়েছে। যেমন প্রতিটি সিটের মাঝে একটি করে সিট ফাঁকা রাখা হবে। প্রত্যেক যাত্রীর কাছে দেওয়া হবে প্রোটেকশন কিট, যাতে থাকবে এক জোড়া গ্লাভস, ফেস শিল্ড, মাস্ক, স্যানিটাইজার। এছাড়াও বলা হয়েছে বগিতে প্রবেশের আগে প্রত্যেক যাত্রীর দেহের তাপমাত্রা মাপা হবে। চলবে স্যানিটাইজার দেওয়ার কাজও।

এজন্য রেলের কর্মীদের নিয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণ শিবির শুরু করা হয়েছে। যাতে প্রত্যেক যাত্রীর নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা যায়, তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এর আগে জানানো হয়েছিল যাত্রীদের পছন্দমত খাবার সরবরাহ করা হবে এই ট্রেনে। তার সঙ্গে বাড়ি থেকে স্টেশন এবং স্টেশন থেকে বাড়ি পর্যন্ত ট্যাক্সি পরিষেবা, ব্যাগ বহন করার পরিষেবা এবং হুইল চেয়ারের পরিষেবা দেওয়া হবে বলেও আইআরসিটিসি জানিয়ে ছিল।

রেলমন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানা গিয়েছিল ই ক্যাটারিংএর সুবিধা নিয়ে যাতে রেলের যাত্রীরা পছন্দমত খাবার অর্ডার দিতে পারে তা নিয়ে পরিকল্পনা করছে ভারতীয় রেল। যে সকল যাত্রীরা খাবারের উপর বেশী খরচ করতে চান না তাদের জন্য পঞ্চাশ টাকায় ছোলে ভাতুরা, ধোসা বা লুচি তরকারী দেওয়ার পরিকল্পনা চলছে এবং যারা ২০০-২৫০ টাকার উপরে খরচ করতে পারবেন তারা এই ই ক্যাটারিংএর সুবিধা নিয়ে পছন্দমত খাবার অর্ডার’ করতে পারবেন বলেও জানা গিয়েছিল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.