নয়াদিল্লি: আপনি যদি খুব বেশি ট্রেনে সফর করেন, তা হলে আইআরসিটিসি এসবিআই কার্ড (IRCTC Rupay SBI Card) আপনার জন্যে খুব দরকারি হতে পারে। এই কার্ডের মাধ্যমে আপনি খুব অল্প খরচে ট্রেনের টিকিট বুকিং করতে পারবেন।আইআরসিটিসির অ্যাপ্লিকেশন বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ট্রেনের টিকিট বুকিংয় করলে ১০ শতাংশের ফ্ল্যাট ক্যাশব্যাক পাবেন।এই ক্রেডিট কার্ডের জন্য এসবিআই কার্ড (SBI Card) চুক্তি করেছে ইন্ডিয়ান রেলওয়ে ক্যাটারিং অ্যান্ড ট্যুরিজম কর্পোরেশন লিমিটেড (Indian Railway Catering and Tourism Corporation)-এর সঙ্গে।এই কার্ডটি সমস্ত আউটলেটগুলোতে ব্যবহার করা যেতে পারে যেখানে (Rupay Card) গ্রহণ করে।এই কার্ডটি ২০২০ সালে লঞ্চ করা হয়েছিল।

কার্ডের বিশেষ বৈশিষ্ট্য

১. এসি -১, এসি -২, এসি -৩ এবং এসি-চেয়ার কারের টিকিটের জন্য এই কার্ডের মাধ্যমে আইআরসিটিসি ওয়েবসাইট irctc.co.in বা মোবাইল অ্যাপে (অ্যান্ড্রয়েড) বুকিং করলে পুরষ্কার হিসাবে ১০ শতাংশ ক্যাশব্যাক পাবেন।

২. এই কার্ডের মাধ্যমে, air.irctc.co.in-এ ফ্লাইটের টিকিট বুকিংয়ের পুরষ্কার পয়েন্ট আকারে ৫ শতাংশ ভ্যালুব্যাক দেওয়া হয়।

৩. এই কার্ডের মাধ্যমে ecatering.irctc.co.in থেকে কেনাকাটা করলে ৫ শতাংশ ভ্যালুব্যাক দেওয়া হয়।

৪. এই কার্ডের মাধ্যমে আইআরসিটিসি ওয়েবসাইট irctc.co.in-এ টিকিট বুকিংয়ের জন্য ১ শতাংশ লেনদেনের চার্জ নেওয়া হয় না।

৫. এই কার্ডের মাধ্যমে air.irctc.co.in-এ ফ্লাইট টিকিট বুকিংয়ের জন্য ১.৮ শতাংশ লেনদেনের চার্জ নেওয়া হয় না।

৬. ওয়েলকাম গিফট হিসাবে ৩৫০ পুরস্কার পয়েন্ট পাওয়া যায়।কার্ড ইস্যু হওয়ার ৪৫ দিনের মধ্যে কমপক্ষে ৫০০ টাকার লেনদেন করতে হবে।

৭.পেট্রোল পাম্পগুলিতে ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকার জ্বালানী এই কার্ডের মাধ্যমে কিনলে ১ শতাংশ জ্বালানী টাকা দিতে হবে না।

৮.এই কার্ডের মাধ্যমে আপনি বছরে ৪ বার বিনামূল্যে রেলওয়ে লাউঞ্জ অ্যাক্সেস করতে পারবেন।

৯.এই কার্ডটি এনএফসি প্রযুক্তিতে তৈরী, যা গ্রাহকদের জন্য ‘ট্যাপ অ্যান্ড পে’ সুবিধাও দেয়।

১০. এক বছরে ভ্রমণের জন্য এক লক্ষ টাকা ব্যয় করলে ৫,০০০ পুরস্কার পয়েন্ট।

১১. এক বছরে দু’লক্ষ টাকা খরচ করলে বার্ষিক ফি ফিরিয়ে দেওয়া হবে।

আইআরসিটিসি এসবিআই কার্ড প্রিমিয়ার চার্জ

১.এই কার্ড রিনিউয়াল করতে খরচ পড়বে ৩০০ টাকা।

২.এই কার্ডের বার্ষিক ফি (এককালীন) ৫০০ টাকা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.