স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: কয়েকদিন আগেই ছ’শোর বেশি সুপারভাইজারকে ছাঁটাইয়ের নোটিশ ধরিয়েছিল দেশের বৃহত্তর কর্পোরেট সংস্থা IRCTC। অবশেষে সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করল সংস্থাটি। কয়েকদিন আগে IRCTC জানিয়েছিল, যাত্রীবাহী ট্রেন না চলায় কাট্যারিং ব্যবস্থা বন্ধ। ফলে কর্মীদের কাজে লাগছে না।

এই অবস্থায় বসিয়ে বেতন দেওয়ার পরিস্থিতি সংস্থার না থাকায় ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনা বাধ্যতামূলক হয়ে পড়েছে। তারা জানায়, ছাঁটাই হওয়া সুপারভাইজারদের প্রত্যেকেই দু’বছরের চুক্তিতে নিয়োগ হয়ে ছিলেন। যার মধ্যে পূর্বাঞ্চলের প্রথম ব্যাচটি এক বছরের বেশি আগে নিয়োগ হয়েছিল।

দ্বিতীয়টি চার মাসের মতো। তবে IRCTC সূত্রে খবর, আপাতত পদে বহাল থাকছেন ওই নোটিশপ্রাপ্ত সুপারভাইজাররা। উল্লেখ্য, করোনা আবহে অর্থনীতির টালমাটাল অবস্থায় কর্পোরেট সংস্থাগুলিকে কর্মী ছাঁটাই না করার আবেদন জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই কথাও মাথায় রেখেছেন রেলের কর্তারা। এদিকে, সোমবার থেকেই শুরু হচ্ছে ট্রেনের তৎকাল টিকিট বুকিং পরিষেবা।

সেন্ট্রাল রেলওয়ের পিআরও শিবাজী সুতার এই খবর জানিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, ২০০ টি শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন এবং আরও যেসব স্পেশাল ট্রেন চলছে তাতে এই তৎকাল টিকিটের পরিষেবা পাওয়া যাবে। সকাল ১০ টা থেকে এসি ট্রেনের জন্য ও সকাল ১১ টা থেকে স্লিপার ক্লাস ট্রেনের জন্য তৎকাল টিকিট বুকিং শুরু হবে। আইআরসিটিসি-র ওয়েবসাইট ও অ্যাপ থেকে টিকিট বুকিং করা যাবে।

এছাড়া রিজার্ভেশন সিস্টেম পিরিয়ড ৩০ দিন থেকে বাড়িয়ে ১২০ দিন করেছে রেল। তবে সেটা শুধুমাত্র স্পেশাল ট্রেনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এদিকে, এবার থেকে ট্রেনের মধ্যে অপারেশন থিয়েটারের মত ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। হাওয়া বারবার বদলানো হবে এসি ট্রেমের ভিতরে। এসির মধ্যে যেহেতু বাতাস বেরনোর জায়গা থাকে না, তাই একটা জায়গার মধ্যেই বাতাস সার্কুলেট হতে থাকে বা ঘুরতে থাকে।

তাই সংক্রমণ থাকলে, তা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। রেলের তরফ থেকে এই বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। আপাতত ১৫ জোড়া ট্রেনের জন্য এই নতুন ব্যবস্থা পরীক্ষামূলকভাবে শুরু করা হয়েছে। আস্তে আস্তে সব ট্রেনে এই ব্যবস্থা চালু করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.