বাগদাদ: সরকার বিরোধী আন্দোলনে রক্তাক্ত ইরাক। পুলিশ ও নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে সংঘর্ষের জেরে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। বিবিসি ও আল জাজিরর খবর, অন্তত ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে বেসরকারি হিসাবে নিহতের সংখ্যা আরও বেশি । রাজধানী শহর বাগদাদ অবরুদ্ধ করার চেষ্টা করছেন বিক্ষোভকারীরা। ইরাকে বেড়েছে বেকারত্ব দুর্নীতি তারই প্রতিবাদে লক্ষাধিক ইরাকি রাস্তায় নেমে সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছেন।

বাগদাদের সুরক্ষিত গ্রিন এলাকায় ঢুকতে গিয়ে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাধে। এই এলাকা প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের আবাস্থল। এখানে রয়েছে সংসদ। গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক এলাকায় বিক্ষোভের কারণে অচলাবস্থা বাগদাদে। সাদ্দাম হোসেন জমাদার পতনের পর থেকে সর্বশেষ ইসলামিক স্টেট জঙ্গিদের নিকেশ অভিযানে বারেবারে রক্তাক্ত হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি। আইএস হামলায় ইরাকে মৃত্যুর মিছিল দেখেছে দুনিয়া।

কিন্তু ইরাকের মাটি থেকে আইএস বিরোধী অভিযানের পর নতুন করে সরকার বিরোধী আন্দোলন দানা বাঁধতে থাকে। প্রধানমন্ত্রী আব্দুল মেহেদী দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে চিন্তিত। তিনি বিবৃতি দিয়ে জানান, সংকট কাটাতে প্রেসিডেন্ট প্রধানমন্ত্রী ও প্রশাসনিক কর্তাদের বেতনে কাটছাঁট করা হবে। জাতীয় আইনসভার খরচা কমিয়ে দেওয়া হবে। তাতে আন্দোলন থামানো লক্ষণ নেই।

বরং বাগদাদের রাস্তায় বেকারত্বের জ্বালা নিয়ে ইরাকিদের মহামিছিলে গুলি চালানোর ঘটনায় বিশ্বজুড়ে ছড়িয়েছে আলোড়ন। সম্প্রতি এমনই রক্তাক্ত হয়েছিল। ইরাক অভিযোগ সেবারও আন্দোলনকারীদের ঠেকাতে গুলি চালায় নিরাপত্তাকর্মীরা। তাতে শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়।