মানসি সাহা, কলকাতা: কখনও সুতি তো কখন সিল্ক, সঙ্গে ডিজাইনার ব্লাউজ। এবার পুজোয় বাঙালি রমনী সেজে উঠবে ইন্দো-ওয়ের্স্টান সাজে! বদলেছে সময়। সঙ্গে পাল্টেছে পুজোর ফ্যাশনও। ষষ্ঠী থেকে দশমী এই কটা দিন নিজেকে সবার থেকে আলাদা কে না দেখাতে চায়! আর শত ভিড়ের মাঝে আপনাকে অনন্যা করে তুলতে শাড়ির পসরা নিয়ে বসে আছেন ডিজাইনার ইরানি মিত্র।

“একই ডিজাইনের শাড়ি সবাই পরছে। তাহলে সবার সঙ্গে আপনার পার্থক্যটা কোথায়? তাই আমি প্রতিটি শাড়িকে দিয়েছি আলাদা স্ট্রাকচার। বলতে পারে ওয়ান ডিজানই ইন ওয়ান ওয়াড্রব’, এমনটাই জানাচ্ছেন ডিজাইনার ইরানি মিত্র। আসুন আপনাকে নিয়ে যাই ইরানির শাড়ি ঘরে।

ইরানি মিত্র। বারো হাতকে ইনি দিয়েছেন অন্য এক রূপ। ভারতীয় ঐতিহ্যের সঙ্গে মিশিয়ে দিয়েছেন ওয়ের্স্টান স্টাইল। মানে কমফোর্ট উইথ ট্র্যাডিশন, সঙ্গে দারুন স্টাইল স্টেটমেন্ট। ইরানির কথায়, ” বাঙালি নারী যতই আধুনিকা হোক না কেন, একটা বয়সে পর কিংবা কোনও কোনও ক্ষেত্রে শাড়িটা মাস্ট হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু গতানুগতিক ভাবে শাড়ির কিন্তু সেই একই প্যার্টান রয়ে গিয়েছে। এটাই বদলে ফেলতে আমি শাড়ির সঙ্গে মিশিয়ে দিয়েছে ওয়েস্টার্ন স্টাইল। যা স্মার্ট লুকের সঙ্গে আপনাকে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে”।

সপ্তমীর সন্ধ্যায় কলমকারি কিংবা প্রিন্টের ‘সুতির প্লিটেড আঁচল’-এর শাড়ি থেকে অষ্টমীর সন্ধ্যায় কালো ‘গাউন শাড়ি’ বারো হাতের নানা অভিনবত্ব রয়েছে এবার ইরানি মিত্রের পুজো কালেকশনে। ক্রেতাদের হাজারের মাঝে অন্যনা করে তুলতে ইরানি ফাণ্ডা ইন্দো-ওয়েস্টার্ন স্টাইল। এই কালেকশনে রয়েছে সুতি থেকে সিল্ক, নেট সবই।

তবে যাঁদের কাছে ইচ্ছে থাকলেও সাধ্যের বাইরে ডিজাইনার শাড়ি। তাঁদের জন্য সুখবর! ইরানি স্বপ্ন তাঁর শাড়ি সবাই পরুক। তাই সাধারণের কথা মাথায় রেখে তাঁর বিক্রির স্টাইলটা একটু অন্য রকম। কেমন? মানে আপনাকে শুধু বলতে হবে আপনার সাধ্যের মূল্য। তার মধ্যেই আপনাকে ডিজাইনার শাড়িতে সাজাবেন ইরানি। এখানেই শেষ নয়! ইরানির তরফ থেকে তাঁর ক্রেতাদের জন্য রয়েছে উপহারও। সেটা যেমন-তেমন নয়। শাড়ির সঙ্গে মানানসই ডিজাইনার ব্লাউজ, যাতে পুজোয় আপনাকে কেউ ছাড়িয়ে না যেতে পারে। তাহলে যাচ্ছেন তো একবার ইরানির শাড়ি ঘরে ঢুঁ মারতে?

ইরানি মিত্রে ঠিকানা, ৪ পঙ্কোজিনি চ্যাটার্জি রোড, কলকাতা-৩৩, চারুচন্দ্র ভবন।

ছবি: মিতুল দাস