তেহরান:  আমেরিকাকে চরম হুঁশিয়ারি ইরানের। এই মুহূর্তে পারস্য উপসাগরে মোতায়েন করা রয়েছে একাধিক মার্কিন যুদ্ধ জাহাজ। আর সেই প্রসঙ্গেই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতার উপদেষ্টা মেজর জেনারেল সাইয়্যেদ ইয়াহিয়া রহিম সাফাভি। তাঁর হুঁশিয়ারি বলেছেন, পারস্য উপসাগরে মোতায়েন প্রতিটি মার্কিন যুদ্ধ জাহাজ ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায় রয়েছে।

সাফাভি বলেন, আমেরিকা ভালো করেই জানে ইরানের ভূমি থেকে সাগরে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রগুলো তাদের প্রতিটি জাহাজকেই লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করার সক্ষমতা রাখে। তিনি বলেন, পারস্য উপসাগরে একটি গুলির ঘটনাই তেলের বাজারকে অস্থিতিশীল করে দেবে। প্রথম ঘটনার পরই তেলের দাম বেড়ে ১০০ ডলারে দাঁড়াবে। তেলের দাম ১০০ ডলারে গেলে আমেরিকা, ইউরোপ এবং জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো মার্কিন মিত্রদের জন্য তা সহ্য করতে পারবে না।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতার সামরিক উপদেষ্টা বলেন, আমেরিকা, ইজরায়েল ও তাদের আরব মিত্ররা ক্রমেই দুর্বল হচ্ছে। যেসব শাসক আমেরিকাকে তার ভৃত্যের মতো পরিষেবা দিচ্ছে তাদেরকে সতর্ক করে তিনি বলেন, আমেরিকা কখনোই তার ভৃত্যদের রক্ষা করে নি। তিনি বলেন, ইরান প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক চায়। ইরান প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে অনাক্রমণ চুক্তি সই করতেও প্রস্তুত রয়েছে বলে তিনি জানান।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.