বাগদাদ: সম্প্রতি ইরান সামনে এনেছে তার ভূগর্ভস্থ মিসাইল টানেলের ছবি। বলা হচ্ছে, এই মিসাইলগুলি ইজরায়েলকে নির্দিষ্ট ভাবে সঠিক লক্ষ্যে হামলা করতে সক্ষম। আর তাই ইজরায়েল ও আমেরিকার চোখ থেকে এই মিসাইলগুলিকে বাঁচাতে মাটির নীচে স্থাপন করা হয়েছে।

ফোর্বস ডটকমের একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে, ইউটিউবের একটি ভিডিওতে ইরানের ভূগর্ভস্থ এই মিসাইল দেখানো হয়েছে। দাবি করা হয়েছে, এটি ব্যালিস্টিক মিসাইল চালাতেও সক্ষম। উল্লেখ্য, এক সপ্তাহ আগেই ইরান জানিয়েছিল তারা আবারও ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক কেন্দ্রের কাজ শুরু করেছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরান দীর্ঘদিন ধরে ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র সুবিধা ব্যবহার করেছে, তবে এরকম প্রথমবার হল যখন সরাসরি ভিডিওর মাধ্যমে একটি সম্পূর্ণ সিস্টেম দেখাচ্ছে ইরান। ভিডিওতে দেখানো হয়েছে, মিসাইলগুলিকে সোজাসুজি উল্লম্ব ভাবে রাখা হয়েছে। যা সুড়ঙ্গ দিয়ে নীচের দিকে নেমে গেছে।

আরও পড়ুন – সীমান্তের কাছে আসতেই গুলি করে নামানো হল মিলিটারি হেলিকপ্টার, মৃত একাধিক

ফোর্বসের রিপোর্টে যে ভিডিওটি উদ্ধৃত করা হয়েছে তা আইএমএ মিডিয়া থেকে এসেছে বলে জানানো হয়েছে। যদিও আসল লঞ্চ প্রক্রিয়া দেখানো হয়নি।

ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, টানেলের ছবিগুলিতে ইরানি নেতাদের ছবিও রয়েছে। উল্লেখ্য, ইসরায়েলের বোমা হামলায় ইরানের পারমাণবিক কেন্দ্রগুলি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল। যার পরে তাঁরা মাটির অভ্যন্তরে এই পারমাণবিক স্টেশন তৈরির কথা বলেছিল। আর এবার সামনে এল ইরানের ভূগর্ভস্থ এই মিসাইল সেন্টার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।