তেহরান: ইরানের জাতীয় সংসদ শান্তিপূর্ণ কাজে ব্যবহারের জন্য ২০ শতাংশ মাত্রায় ইউরেনিয়াম নিরবচ্ছিন্নভাবে উৎপাদন ও মজুদ রাখতে পারার আইন অনুমোদন করেছে। এর ফলে এই দেশের জাতীয় আণবিক শক্তি সংস্থার চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় মাত্রার ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করে তা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলিকে সরবরাহ করতে বাধ্য থাকবে।

এর ফলে বলা হয়েছে, জাতীয় আণবিক শক্তি সংস্থাকে প্রতিবছর চাহিদা মেটানোর পর ২০ মাত্রার ১২০ কেজি ইউরেনিয়াম দেশে মজুদ করতে হবে এবং এ ক্ষেত্রে কোনও ধরণের বিলম্ব গ্রহণযোগ্য হবে না।

এছাড়া বলা হয়েছে, পরমাণু সমঝোতায় স্বাক্ষরকারী পক্ষগুলি যদি তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলি পুরোপুরি মেনে না চলে এবং ইরানের তেল ও তেলজাত পণ্য রপ্তানি ও বিদেশ থেকে অর্থ দেশে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে যে বাধা ছিল তা দূর না করে তাহলে এই আইন পাসের একমাসের মধ্যে পরমাণু ক্ষেত্রে স্বেচ্ছাপ্রণোদিত সব প্রটোকল বাস্তবায়ন থেকে সরে আসতে হবে।

এদিন ইরানের আইনপ্রণেতারা দেশবিরোধী নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ সংক্রান্ত আরও একটি বিল পর্যালোচনা করে। তারপরে সেটিও অনুমোদন দেয় ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।