জেরুজালেম: করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের তাবড় নেতা-মন্ত্রীরা। ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী, এমনকি ব্রিটিশ যুবরাজ প্রিন্স চার্লসকে ও রেহাই দেয়নি করোনাভাইরাস।

এবার করোনায় আক্রান্ত হলেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার আলী লারিজানি। পার্লামেন্টের ওয়েবসাইটে তাঁর অসুস্থতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কোয়ারেন্টাইনে চিকিৎসা চলছে তাঁর। বিশ্বের যেসব দেশ করার বিরুদ্ধে কঠিন লড়াই চালাচ্ছে তার মধ্যে অন্যতম ইরান।

করোনার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মোকাবিলা করছে ইজরায়েল। দেশজুড়ে আক্রান্ত হয়েছেন ৬৮০০ মানুষ, মৃত্যু হয়েছে ৩৪ জনের। আজ সেই দেশেই এবার আক্রান্ত খোদ স্বাস্থ্যমন্ত্রী। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ওঠাবসা বলে জানা গিয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ৮২০০০ হাজার মানুষ, মৃতের সংখ্যা ৩৬০০। ইরানের স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানিয়েছে সেদেশে, নতুন করে করোণা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ১২৪ জনের, মৃতের সংখ্যা মোট ৩১৬০।

লারিজানি ইরানের একজন অন্যতম শীর্ষ নেতা। ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এর সঙ্গে তার ঘনিষ্ট সম্পর্ক। বহু বছর ধরে ইরানের বিভিন্ন পদে কর্মরত অবস্থায় ছিলেন তিনি। সামলেছেন একাধিক মন্ত্রক।

রাষ্ট্রসংঘের দাবি, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মতো জটিল ও বিপজ্জনক পরিস্থিতির দিকে যাচ্ছে দুনিয়া। যার মূলে করোনাভাইরাস সংক্রমণ ও মৃত্যু। এদিকে বিশ্ব জুড়ে লকডাউন চলছে। তারই মধ্যে বাড়ছে করোনা সংক্রামিত রোগীর সংখ্যা।

ওয়ার্ল্ডোমিটারের পরিসংখ্যান বলছে, মৃত ৫৩ হাজারের বেশি। আক্রান্তদের মধ্যে দু লক্ষ ১০ হাজার ১৯৯ জন সুস্থ হয়েছেন। মৃত ও সুস্থতার সংখ্যা হিসেব করলে অবশ্যই আশার কথা। কিন্তু যেভাবে একের পর এক দেশে করোনা সংক্রামিত রোগীর মৃত্যু হচ্ছে হাজারে হাজারে তাতে উদ্বেগজনক অবস্থা। করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ১০ লক্ষ পার করেছে। আক্রান্তদের মধ্যে ৩৭ হাজারের অবস্থা গুরুতর। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা হু তরফে দেওয়া হিসেবে, করোনা হামলায় গড়ে প্রতিদিন মারা গেছেন প্রায় তিন হাজার জন। আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থা আরও খারাপ হচ্ছে।দেশটিতে এক থেকে দুই লক্ষ মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা রয়েছে।