তেহরান:  আমেরিকা এবং ইরানের সঙ্গে তুঙ্গে উত্তেজনা। একের পর এক মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় ক্ষিপ্ত তেহরান। হুমকি পালটা হুমকিতে মাঝে মধ্যেই চড়তে থাকে উত্তেজনা। এই অবস্থায় থার্ড জেনারেশনের নৌ স্টাইক ব্যালিস্টিক মিসাইল প্রকাশ্যে আনল তেহরান।

পড়ুন আরও- আজেরবাইজান-আর্মেনিয়ার যুদ্ধে অন্তত ২৩ জনের মৃত্যু, আহত শতাধিক

ইরানের দাবি, এই মিসাইল একেবারে আধুনিক। বিশ্বের যে কোনও পরমাণু শক্তিধর দেশগুলির সঙ্গে সমানে টক্কর দিতে পারে এই মিসাইল।

আজ রবিবার থার্ড জেনারেশনের এই মিসাইলটি সামনে আনে তেহরান সেনাবাহিনী। মিসাইলটি প্রকাশ্যে আনার পর সে দেশের সেনাবাহিনীর শীর্ষ কমান্ডার মেজর জেনারেল হোসেন সালামি বলেন, ইরান কখনও শক্তি অর্জনের প্রচেষ্টা থামাবে না। তাতে যতই নিষেধাজ্ঞা আসুক না কেন!

পড়ুন আরও- অত্যাচার আর নৃশংসতার রিপোর্টের পরও জিংপিং বলছেন, ‘জিনজিয়াংয়ে শুধুই আনন্দ’

সামরিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই মিসাইল সামনে এনে কার্যত আমেরিকাকেই হুঁশিয়ারি দিল তেহরান। প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, নতুন এই ক্ষেপণাস্ত্রের নাম হল জুলফিকার-ই বাসির। যার পাল্লা ৭০০ কিলোমিটার। এর আগে ইরান খালিজ-ই ফার্স ও হরমুজ নামে দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে। যা চোখের পলকে যে কোনও ভ্রাম্যমান লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।

ইরান সেনা বাহিনীর দাবি, একেবারে দেশীয় প্রযুক্তিতে এই মিসাইল তৈরি করা হয়েছে। জানা যাচ্ছে, নতুন এই ক্ষেপণাস্ত্রে এমন ওয়ারহেড ব্যবহার করা হবে যা ‘অপটিক্যাল সিকার হেড’ দ্বারা গাইডেড। জুলফিকার-ই বাসির ক্ষেপণাস্ত্রের ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপের ভার্সন রয়েছে। এবং তারও পাল্লা ৭০০ থেকে ৭৫০ কিলোমিটার। অর্থাৎ সাড়ে ৭৫০ কিমি দূরে থাকা যে কোনও শত্ররুকে মুহূর্তে গুড়িতে দিতে পারে এই মিসাইল।

সামরিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ইরান এর আগে দেশের বাইরের লক্ষ্যবস্তুতে নিজস্ব প্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়েছে। সিরিয়ায় তৎপর ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে ইরান মারাত্মক ভাবে হামলা শুরু করে। আর সেই সময় এই সমস্ত অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয়েছিল।

এছাড়া, ইরানের ইসলামি বিপ্লবি গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি’র কুদস ফোর্সের প্রাক্তন কমান্ডার লেফটেন্যনান্ট জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার পর ইরাকের আইন আল-আসাদ মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়।

ওই হামলায় মার্কিন ঘাঁটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। সেই সময় ইরান দেশীয় প্রযুক্তিতে তাঁদের তৈরি মিসাইল ব্যবহার করেছিল। আর তা করা হয়েছিল ইরানের মাটি থেকেই। ফলে তাদের তৈরি মিসাইলকে কখনও হেয় করা উচিৎ নয় বলেই জানাচ্ছে সামরিক পর্যবেক্ষকরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।