তেহরান: ইরানের চবাহার প্রজেক্টের সঙ্গে বরাবরই যুক্ত ছিল ভারতের নাম। তবে এবার ভারতের সাহায্য ছাড়াই নিজেদের প্রজেক্ট এগিয়ে নিয়ে যেতে শুরু করল ইরান। ভারতের জন্য অপেক্ষা করল দেশটি।

ইরানের ভাইস প্রেসিডেন্ট জাহাঙ্গিরি জানিয়েছেন চবাহার-জাহেদান রেলওয়ে প্রজেক্ট ইরান নিজেদের ফান্ডেই তৈরি করবে। জানিয়েছেন, ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ফান্ড থেকে তুলে নেওয়া হচ্ছে ৩০০ মিলিয়ন ডলার। আগে এই প্রজেক্টটি ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে হওয়ার কথা ছিল। সেকানে যুক্ত ছিল ‘ইসলামিক রিপাবলিক রেলওয়েজ’ ও ‘ইন্ডিয়ান রেলওয়েজ কনস্ট্রাকশন লিমিটেড।’

তবে ইরানের সরকারের তরফে জানানো হয়েছে যে, ভারতের জন্য দরজা সবসময় খোলা আছে।

ভারতও এই রেললাইন তৈরি করতে চেয়েছিল। এটা ছিল একটা ত্রৈদেশিক চুক্তি ভারত, ইরান ও আফগানিস্তানের মধ্যে। উল্লেখ্য, চিন ও ইরানের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পথে। ২৫ বছরের জন্য অর্থনীতি ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত এই চুক্তি হবে দুই দেশের, যার অর্থমূল্য ৪০০ বিলিয়ন ডলার। শুধমাত্র ইরানের পার্লামেন্টের অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে সেই চুক্তি।

আশঙ্কা একটাই। তেহরাম ও বেজিংয়ের মধ্যে চুক্তির জন্যই ভারতকে প্রজেক্টের বাইরে রাখতে চাইছে না তো ইরান!

চিনে এই চুক্তির মাধ্যমে তাদের আধিপত্য বিস্তার করতে চাইবে সেদেশের ব্যাংকিং, টেলিকম, পোর্ট, রেলওয়ে এমনকি ডিফেন্স সেক্টরেও। এমনকি চবাহারের সঙ্গেও যুক্ত হতে পারে চিন।

চবাহার-জাহেদান রেলওয়ে প্রজেক্টে ৬২৮ কিলোমিটার রেল লাইন তৈরি হওয়ার কথা, যা জাহেদান ও চবাহারকে যুক্ত করতে যাবে সিস্তান ও বালোচিস্তানের উপর দিয়ে। গালফ অফ ওমানে চবাহারই ইরামের একমাত্র বন্দর।

‘ইসলামিক রিপাবলিক রেলওয়েজ’-এর পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২১-এর মার্চ মাসের মধ্যে ১৫০ কিমি রেললাইন তৈরি হবে। ২০২২-এর মার্চ মাসের মধ্যে তৈরি হবে পুরো লাইন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।