তেহরান: বিশ্ব জুড়ে লকডাউন। প্রায় সব দেশই করোনা মহামারীর কবলে। বন্ধ ছিল সব ধর্মীয় স্থানও। এমনকি রমজান এবং ইদেও মসজিদে যাওয়ার অনুমতি পায়নি বেশির ভাগ দেশের মানুষ। এবার মসজিদগুলোতে ফের নামাজ পড়া শুরু হবে বলে জানালেন ইরানেরর প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি।

রুহানি বলেন, “প্রাত্যহিক নমাজের জন্য দেশজুড়ে মসজিদের দরজাগুলো সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে।” মসজিদে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ অন্যান্য স্বাস্থ্য বিধি পালন করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। তবে কবে নাগাদ মসজিগুলো খোলা হচ্ছে তা জানাননি।

শপিংমলগুলো খোলা রাখার সময়সীমাও বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন রুহানি। লকডাউন শিথিলের পর শনিবার দেশটির সরকারি কর্মচারীরা আবার কাজে যোগ দিয়েছেন।

ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, কর্তৃপক্ষ কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার উপর জোর দিয়েছে। মাস্ক পরা না থাকলে যাত্রীদের বাস ও ট্রেনে উঠতে দেওয়া হচ্ছে না। তেহরানের সরকারি করোনাভাইরাস টাস্কফোর্সের প্রধান আলিরেজা জালি সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, রাজধানীর পরিস্থিতি ‘এখনও অনুকূল নয়’।

বিধিনিষেধ শিথিল করার সঙ্গে সঙ্গে আইনের প্রয়োগ আরও কঠোর হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। শুক্রবার পর্যন্ত ইরানে আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ৪৬ হাজার ৬৬৮ জন এবং মৃতের সংখ্যা ৭ হাজার ৬৭৭ জন ছিল।

ইরানের দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চলীয় খুজেস্তান ও দক্ষিণপূর্বাঞ্চলীয় বালুচিস্তানে এখনও উচ্চমাত্রার সংক্রমণ অব্যাহত থাকায় প্রদেশ দুটিকে ‘রেড’ জোন ঘোষণা করা হয়েছে।

সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা বিবেচনায় ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রক দেশটিকে হোয়াইট, ইয়েলো ও রেড জোনে বিভক্ত করেছে।

প্রশ্ন অনেক: দ্বিতীয় পর্ব