নিউ ইয়র্ক: একে একে মিসাইলের ভাণ্ডার তৈরি হচ্ছে ইরাকে। আর সেই ভাণ্ডার গড়ে তুলছে ইরান। ইরাকে গোলযোগের সুযোগ নিয়েই ইরান সেখানে গোপনে ব্যালিস্টিক মিসাইলের ভান্ডার গড়ে তুলছে।

মধ্যপ্রাচ্যে ত্রাস সৃষ্টি করা এবং ক্ষমতা জাহির করার জন্যই ইরান এই কাজ করছে বলে মনেকরছেন মার্কিন গোয়েন্দা ও সামরিক কর্মকর্তারা।

আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে তাদের স্বার্থগুলোতে ক্রমবর্ধমান হুমকি মোকাবিলায় নতুন করে সামরিক উপস্থিতি গড়ে তোলার পর ইরান এ তৎপরতা শুরু করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

উপসাগরে তেলের ট্যাংকারে হামলার ঘটনার জন্য গোয়েন্দা কর্মকর্তারা ইরানকে দায়ী করেছে। গত মে থেকে ট্রাম্প প্রশাসন ওই অঞ্চলে ১৪ হাজার অতিরিক্ত সেনা পাঠিয়েছে।

কিন্তু এখন ইরাকে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ গড়ে তোলার নতুন গোয়েন্দা তথ্যে এ আভাসই পাওয়া যাচ্ছে যে, মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ইরানকে নিবৃত্ত করতে চাওয়ার চেষ্টা কার্যত ব্যর্থ হয়েছে।

এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা বলেছেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ওই অঞ্চলে ইসরায়েল, সৌদি আরবসহ যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য মিত্রদেশ এবং অংশীদারদের জন্য একটি হুমকি।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।