তেহরান:  একের পর এক মার্কিন নিষেধাজ্ঞা। যে কোনও মুহূর্তে সামরিক পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি। ইতিমধ্যে মার্কিন সামরিকবাহিনী ঘিরে ফেলেছে গোটা ইরানকে। নতুন করে যুদ্ধের আশঙ্কা গোটা বিশ্বে। এই পরিস্থিতিতে আমেরিকাকে চরম হুঁশিয়ারি তেহরানের। ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সেনাবাহিনীর প্রধান মেজর জেনারেল সাইয়্যেদ আব্দুর রহিম মুসাভি আমেরিকার এই সামরিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তাঁর মন্তব্য, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়ালে শত্রুরা অনুতপ্ত হবে।

তেহরানে আইআরআইবি নিউজ এজেন্সিকে একটি সাক্ষাৎকার দেন মুসাভি। সেখানেই এহেন মন্তব্য করেছেন মেজর জেনারেল। শুধু তাই নয়, আমেরিকাকে হুঁশিয়ারি দিয়ে সাইয়্যেদ মুসাভি আরও বলেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী যে কোনও পরিস্থিতির জন্য দৃঢ়ভাবে প্রস্তুত রয়েছে। যুদ্ধের মতো কিছু ঘটলে শত্রুরা অনুশোচনা করতে বাধ্য থাকবে। আর সেজন্যে আমেরিকাকে সতর্ক থাকারও পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

অন্যদিকে, পারস্য উপসাগরে একের পর মার্কিন যুদ্ধ জাহাজ ঘাঁটি গেড়েছে। গত কয়েকমাস ধরে সেখানে মার্কিন নৌবাহিনীর তৎপরতাও বেড়ে গিয়েছে। সামরিক পর্যবেক্ষকদের মতে, পারস্য উপসাগরে মার্কিন বাহিনীর এহেন তৎপরতা আসলে ইরানের উপর ক্রমশ চাপ সৃষ্টি। আর এই প্রসঙ্গে ইরানের সেনাবাহিনীর প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল হাবিবুল্লাহ সাইয়ারি বলেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী বিশ্বের কোনও দেশকেই জলসীমার ধারে কাছে ঘেষতে দেবে না। তিনি বলেন, ইরান পারস্য উপসাগর এবং ওমান সাগরে শত্রুদের সব তৎপরতার ওপর নজর রেখেছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।