তেহরান: আর কতো ? কেউ জানে না। শুধু মারতে তৈরি আর মানুষ যেন মরতে মুখিয়ে। পারস্য দেশে করোনার ফের সংক্রমণ শুরুর ইঙ্গিত আসতে শুরু করল। বিবিসি জানাচ্ছে এই খবর।

গত বছর চিন থেকে করোনা ছড়ানোর পর ইরান ছিল ভাইরাস হামলায় আক্রান্ত ও মৃতের নিরিখে দ্বিতীয়। তার পরেই ইউরোপে তাণ্ডব শুরু হয় করোনার। এবার দুই আমেরিকা মহাদেশে হামলার পাশাপাশি ফের ইরানের দিকে মুখ ঘুরিয়েছে করোনা। সেই সঙ্গে ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশে শুরু হয়েছে ভয়াবহ সংক্রমণ ও মৃত্যু মিছিল।

বিবিসি জানাচ্ছে, ইরানে সাম্প্রতিক কয়েক সপ্তাহে করোনাভাইরাস শনাক্তের সংখ্যা হঠাৎ দ্রুত বেড়ে গিয়েছে। আশংকা, উরান এখন দ্বিতীয় দফায় মহামারির মুখোমুখি হতে চলেছে। ওয়ার্ল্ডোমিটারের সর্বশেষ হিসেব, ইরানে করোনা আক্রান্ত ১ লক্ষ ৮০ হাজার পেরিয়েছে। মৃতের সংখ্যা সাড়ে ৮ হাজারের বেশি।

বিবিসি জানাচ্ছে, প্রথম দফায় করোনা হামলা কমার পর ইরান লকডাউন শিথিল করতে শুরু করেছিল এপ্রিলের মাঝামাঝি। তখন দেশটিতে সংক্রমণের সংখ্যা কমে গিয়েছিল।

জুনের প্রথম দিকে ফের সংক্রমণ ছড়াতেই প্রশ্ন, তড়িঘড়ি লকডাউন তোলার মূল্য দিচ্ছে ইরান সরকার ? যদিও রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা এই বিষয়ে কিছু জানায়নি।

বিবিসি জানাচ্ছে, জুনের প্রথম সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে ৩ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। তার আগের সপ্তাহের তুলনায় এই বৃদ্ধি ৫০ শতাংশ।

বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, লকডাউনের বিধিনিষেধ তোলার পর থেকে সামাজিক মেলামেশা অনেক বেড়েছে ইরানে। সেই কারণে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। তবে ইরানি স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীদের বক্তব্য, এখন অনেক বেশি মানুষকে পরীক্ষা করা হচ্ছে। সেই কারণে সংক্রমণের সঠিক সংখ্যা আসছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।