ফাইল ছবি

কলকাতা: করোনা ভাইরাসকে আটকাতে লকডাউন জারি হয়েছে। আর তার ফলে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ব্যাঘাত ঘটেছে। পেটে টান পড়ছে নাট্যশিল্পী আদিবাসী লোকশিল্পী, লোকনাট্য শিল্পীসহ বিভিন্ন শিল্প মাধ্যমের শিল্পীদের। আর সেই সব কথা জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য ভারতীয় গণনাট্য সংঘের রাজ্য কমিটির পক্ষ থেকে বুধবার চিঠি দেওয়া হলো।

চরম আর্থিক দুর্দশার মুখোমুখি রাজ্যের নাট্যশিল্পী আদিবাসী লোক শিল্পী ,লোক নাট্য শিল্পী এবং অন্যান্য মাধ্যমের শিল্পীরা। বেঁচে থাকার জন্য এদের একমাত্র আয়ের উৎস শিল্পচর্চা। কিন্তু লকডাউন সেই কাজে অন্তরায় হয়ে দাঁড়াচ্ছে। ফলে জরুরী ভিত্তিতে এদের ঘরে রসদ পৌঁছনো দরকার বলে মনে করছে গণনাট্য সংঘ।

গণনাট্য সভাপতি হিরণ্ময় ঘোষাল এবং সম্পাদক দিব্যেন্দু চট্টোপাধ্যায় বার্তায় জানিয়েছেন, একদিকে করোনা সংক্রমণ অন্যদিকে আমফান ঝড়ে বিধ্বস্ত হয়ে চরম সংকটে দিন কাটাচ্ছে রাজ্যর মানুষ। এর ফলে সমাজের অন্যান্য অংশের মানুষের সঙ্গে উপস্থাপনা শিল্পের সঙ্গে যুক্ত নাট্যশিল্পীরা এবং আদিবাসী লোকশিল্পীরা ও লোকনাট্য শিল্পীরা তাদের কাজ তথা অনুষ্ঠান করতে পারছেন না। এদের জীবন জীবিকা ভয়ঙ্কর ভাবে বিপন্ন হয়েছে। তাদের সুরক্ষার জন্য এই সংগঠনের পক্ষ থেকে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে কয়েকটি দাবি পেশ করা হয়েছে।

সেইসব দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- এই সব শিল্পীদের আপৎকালীন পরিস্থিতিতে ন্যূনতম ৫০০০ টাকা করে ভাতা দেওয়ার ব্যবস্থা। এইসব কাজ হারানো শিল্পীদের জন্য জরুরী ভিত্তিতে দুই লক্ষ টাকা স্বাস্থ্য বিমার ব্যবস্থা করা হোক যাতে করোনা আক্রান্ত হলে চিকিৎসার অর্থের জন্য কারো কাছে হাত পাততে না হয়। কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রেক্ষাগৃহ খুলে দেবার আর্জিও জানানো হয়েছে ওই দাবিগুলির মধ্যে। সে ক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি মঞ্চ গুলি যেন বর্তমান ভাড়ার এক-তৃতীয়াংশ নেয় তা অনুরোধ করা হয়েছে।

প্রশ্ন অনেক: তৃতীয় পর্ব