স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা : সারদার পাশাপাশি নারদ কাণ্ড নিয়েও সমান ভাবে তৎপর হয়ে উঠেছে সিবিআই৷ বৃহস্পতিবার সকালে ফের নিজাম প্যালেসে হাজিরা দেন আইপিএস এসএমএইচ মির্জা৷ এই আইপিএস অফিসারের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে বলে খবর৷

এর আগেও তাঁকে তলব করা হয়েছিল৷ তবে নতুন করে কিছু তথ্য মেলায়, তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানা গিয়েছে৷ প্রসঙ্গত, নারদকাণ্ডে দেখা গিয়েছিল কলকাতার প্রাক্ত ডেপুটি মেয়র ইকবাল আহমেদকেও৷ ইতিমধ্যেই ইকবালকে এক দফা জেরা করেছে সিবিআই। তাঁর বয়ানের ভিত্তিতেই এর আগে মির্জাকে তলব করা হয়েছিল। ইকবালের বয়ানের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয় মির্জার বয়ান। ম্যাথুর সঙ্গে কতবার দেখা হয়েছিল? মির্জা আদৌ স্টিং অপারেশনের ব্যাপারে কিছু জানতেন কিনা, কে ম্যাথুর সঙ্গে তাঁর পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল, সেসবও খতিয়ে দেখা হয়। স্টিং অপারেশনে যে পাঁচ লক্ষ নিতে দেখা যায়, তার বাইরে কোনও আর্থিক লেনদেন হয়েছিল কিনা সেটাও জানার চেষ্টা করছে সিবিআই।

২০১৬ সালে ফাঁস হয় নারদ কেলেঙ্কারি৷ পরে তাঁকে বারাকপুরে রাজ্য পুলিশের ব্যারাকপুর স্পেশাল স্ট্রাইকিং ফোর্সের কমান্ডিং অফিসার করা হয়। কিন্তু একটি ঘুষ মামলায় তাঁর অধস্তন এসআই সৌভাগ্য দাসকে বরখাস্ত করেছিলেন। ঘটনাকে ষড়যন্ত্র হিসেবে দাবি করে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত সৌভাগ্য দাস গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এরপর তাঁর স্ত্রী সোনামণি দাস পুলিশ কর্মকর্তা মির্জার বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ আনেন। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই বরখাস্ত করা হয় আইপিএস এসএমএইচ মির্জাকে৷