দুরন্ত ব্যাটিং ডু’প্লেসির৷ ২০ ওভার শেষে ৩ উইকেট হারিয়ে ২২০ রান তুলল সিএসকে৷ অর্থাৎ জয়ের জন্য নাইটদের করতে হবে ২২১ রান৷ শেষ ওভারে ১৯ রান দিলেন কামিন্স৷ চার ওভারে ৫৮ রান খরচ করলেন অজি পেসার৷ শেষ বলে তাঁকে ছক্কা হাঁকান জাদেজা৷ ৯৫ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন তিনি৷ ওপেনিং জুটিতে গায়কোয়াডের সঙ্গে ১১৫ রানের পার্টনারশিপ গড়া ডু’প্লেসি শেষ পর্যন্ত সিএসকে ইনিংসকে টেনে নিয়ে গিয়ে দলকে বড় রানে পৌঁছে দিলেন৷ মিরাকেল না-হলে এই রান তাড়া করা অসম্ভব নাইটদের পক্ষে৷

২০ ওভার শেষে সিএসকে ২২০/৩৷ শেষ ওভারে তিনটি ছক্কা-সহ ১৯ রান নিলেন সিএসকে ব্যাটসম্যানরা৷

১৯ ওভার শেষে সিএসকে ২০১/৩

ধোনি আউট…৷ ৮ বলে একটি ছয় ও দু’টি বাউন্ডারির সাহায্যে ১৭ রান করে আউট হলেন মাহি৷ দুর্দান্ত ক্যাচ নিলেন নাইট অধিনায়ক মর্গ্যান৷

১৮.৪ ওভারে ডাবল সেঞ্চুরি সিএসকে-র৷

১৮ ওভার শেষে সিএসকে ১৮৬/২৷ কৃষ্ণার শেষ দু’টি বলে চার ও ছয় হাঁকালেন ধোনি৷ মিড-উইকেটে তাঁর পরিচিত ঢংয়েই ছয় মারলেন মাহি৷ চার ওভারে ৪৯ রান দিলেন কৃষ্ণা৷

১৭ ওভার শেষে সিএসকে ১৭২/২৷ ডু’প্লেসিস ৬৮ ও ধোনি ৫৷ এবারের আইপিএলে প্রথম ম্যাচে চার ওভারে ৩৪ রান দিয়ে এক উইকেট নিলেন নাইট স্পিনার নারিন৷

ক্রিজে এলেন ধোনি৷ প্রথম দু’টি ম্যাচে রান না-পেলেও আগের ম্যাচে রানে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছেন সিএসকে অধিনায়ক৷

আলি আউট..৷ ১২ বলে ২৫ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন তিনি৷

১৬ ওভার শেষে সিএসকে ১৫৬/১

১৫০ রানের গণ্ডি টপকে গেল চেন্নাই৷ দুরন্ত ছন্দে ডু’প্লেসিস৷

১৫ ওভার শেষে সিএসকে ১৪৪/১৷ ডু’প্লেসিস ৬৩ ও আলি ৮ রানে ক্রিজে৷ শেষ পাঁচ ওভারে এক উইকেট হারিয়ে ৬২ রান তুলেছে সিএসকে৷ ওভার পিছু রান ১২ বেশি৷

১৪ ওভার শেষে সিএসকে ১৩০/১৷

১৩ ওভার শেষে সিএসকে ১২১/১৷

হাফ-সেঞ্চুরি ডু’প্লেসিসের৷ ৩৫ বলে হাফ-সেঞ্চুরি করেন তিনি৷

ক্রিজ এলেন মোয়েন আলি৷দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন সিএসকে-র এই ইংরেজ অল-রাউন্ডার৷

গায়কোয়াড আউট…৷ সিএসকে ১১৫/১৷ ত্রয়োদশ ওভারে সিএসকের প্রথম উইকেট ফেলতে সক্ষম নাইট বোলাররা৷ ৪২ বলে চারটি ছয় ও ছ’টি চারের সাহায্যে ৬৪ রান করেন গায়কোয়াড৷

শেষ দু’ওভারে ৩৩ রান তুলল সিএসকে৷

১২ ওভার শেষে সিএসকে ১১৫/০৷ গায়কোয়াড ৬৪ ও ডু’প্লেসিস ৪৮

১০০ রানের গণ্ডি টপকাল সিএসকে৷ নাইট বোলারদের নিয়ে ছেলেখেলা করলেন সিএসকে ওপেনাররা৷

১০ ওভার শেষে সিএসকে ৮২/০

৯ ওভার শেষে সিএসকে ৭৭/০

ফের বোলিংয়ে পরিবর্তন৷ বল করতে এলেন নারিন৷

পাওয়ার প্লে (৬ ওভার) শেষে সিএসকে ৫৪/০ ডু’প্লেসিস ৩০ ও গায়কোয়াড ২৩৷ পাওয়ার প্লে-তে ওভার পিছু ৯ রান করে তুলল সিএসকে৷

ফের আক্রমণে কামিন্স৷ প্রথম ওভারে ১৫ রান দেওয়ার পর দ্বিতীয় ওভারে ৯ রান দিলেন তিনি৷

৫ ওভার শেষে সিএসকে ৪৪/০

বোলিংয়ে পরিবর্তন নাইটদের৷ কামিন্সকে সরিয়ে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণাকে নিয়ে এলেন নাইট অধিনায়ক৷ প্রথম ওভারে ৭ রান দিলেন কৃষ্ণা৷

৪ ওভার শেষে সিএসকে ৩৭/০৷ ডু’প্লেসিস ২৪ ও গায়কোয়াড ১৪ 

বোলিংয়ে পরিবর্তন৷ ২০২১ আইপিএলে প্রথমবার বল হাতে সুনীল নারিন৷

শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক সিএসকে-র দুই ওপেনার৷

২ ওভার শেষে সিএসকে ১৯/০৷

দ্বিতীয় ওভারে বল হাতে শুরু করলেন প্যাট কামিন্স৷ কিন্তু প্রথম ওভারে ১৫ রান দিলেন অজি পেসার৷

প্রথম ওভার শেষে সিএসকে ৪/০

ক্রিজে সিএসকে দুই ওপেনার ফ্যাফ ডু’প্লেসিস ও রুতুরাজ গায়কোয়াড৷ নাইটডদের হয়ে  বোলিং শুরু করলেন বরুণ চক্রবর্তী৷

আগের দু’টি ম্যাচ হারায় এদিন সিএসকে-র বিরুদ্ধে দলে জোড়া পরিবর্তন করে কলকাতা৷ হরভজন সিং ও শাকিব আল হাসানকে বসিয়ে প্রথম একাদশে নিলে এল কমলেশ নাগোরকটি ও সুনীল নারিনকে৷ চেন্নাই সুপার কিংস দলে একটি পরিবর্তন করেছে৷ ডোয়েন ব্র্যাভোকে বিশ্রাম দিয়ে এনগিদিকে খেলাচ্ছে সিএসকে৷

কেকেআর তাদের প্রথম তিনটি ম্যাচ খেলেছে চেন্নাইয়ের চিপকে৷ কিন্তু এদিন প্রথমবার খেলতে নামল মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে৷ চিপকে প্রথম মাচে সানরাইজার্সের বিরুদ্ধে জিতলেও পরের দুটি মাচে মুম্বই ইন্ডিযান্স ও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে হারে কেকেআর৷

প্রথম ম্যাচ জিতে ২০২১ আইপিএলে শুরুটা ভালো হলেও পরের দু’টি ম্যাচ জিতে ব্যাকফুটে কলকাতা নাইট রাইডার্স৷ বুধবার চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত কেকেআর ক্যাপ্টেন ইয়ন মর্গ্যানের৷

চেন্নাই সুপার কিংস: রুতুরাজ গায়কোয়াড, ফ্যাফ ডু’প্লেসি, মোয়েন আলি, সুরেশ রায়না, অম্বাতি রায়ডু, রবীন্দ্র জাদেজা, মহেন্দ্র সিং ধোনি (ক্যাপ্টেন), স্যাম কারেন, শার্দুল ঠাকুর, দীপক চাহার ও লুঙ্গি এনগিদি৷

কলকাতা নাইট রাইডার্স: নীতিশ রানা, শুভমন গিল, রাহুল ত্রিপাঠি, ইয়ন মর্গ্যান (ক্যাপ্টেন), দীনেশ কার্তিক, আন্দের রাসেল, প্যাট কামিন্স, কমলেশ নাগোরকাটি, সুনীল নারিন, বরুণ চক্রবর্তী ও প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.