নয়াদিল্লি: চলতি বছর কোনও একটা সময় নিশ্চয় অনুষ্ঠিত হবে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট আইপিএল। আর টি২০ এই ক্রিকেট টুর্নামেন্ট যথেষ্ট ইতিবাচক ভূমিকা গ্রহণ করবে দেশের জন্য, বদলে দেবে গোটা দেশের মেজাজটাই। মনে করেন জাতীয় দলের ওপেনার শিখর ধাওয়ান।

মারণ ভাইরাস করোনায় পৃথিবী জুড়ে আক্রান্ত ৫৫ লক্ষেরও বেশি মানুষ। মৃত্যুর কবলে ৩.৪ লক্ষ। এমন সময় বিশ্বজুড়ে সমস্ত দেশের পাশাপাশি ভারতের মাটিতেও বন্ধ সমস্ত ধরনের ক্রীড়াযজ্ঞ। মাস দু’য়েকেরও বেশি সময় বাদে ধীরে ধীরে ফুটবল ফেরানোর উদ্যোগ ইতিমধ্যেই গ্রহণ করেছে বিভিন্ন দেশ। শুরু হয়েছেন বুন্দেসলিগা। তবে ভারত সহ অন্যান্য দেশের মাটিতে ক্রিকেট কবে ফিরবে, তার কোনও নিশ্চয়তা নেই। প্রাথমিকভাবে গত ২৯ মার্চ থেকে শুরু হয়ার কথা থাকলেও আইপিলে আপাতত অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত।

কিন্তু আইপিএল আয়োজন কতটা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে, সেটাই সম্প্রতি শ্রীলঙ্কা অল-রাউন্ডার অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউজকে জানালেন ভারতীয় ক্রিকেটের ‘গব্বর’। ইনস্টাগ্রামে লাইভ চ্যাট সেশন ম্যাথিউজকে ধাওয়ান বলেন, ‘দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি ও মেজাজে বদল আনতে খেলাধুলো ফিরিয়ে আনাটা অত্যন্ত জরুরি। আইপিএল অনুষ্ঠিত হলে তার প্রভাবটা ব্যাপক হবে।’ গব্বর আর বলেন, ‘দেশের মানুষের নিরাপত্তার দিকটি আমাদের মাথায় রাখতে হবে। তবে আইপিএল যদি সত্যিই আয়োজন করা সম্ভব হয় তাহলে তার মাধ্যমে পৃথিবীজুড়ে অনেক ইতিবাচক মনোভাব ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হবে। কারণ প্রচুর সংখ্যক মানুষ আইপিএল উপভোগ করেন।’

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে আগামী অক্টোবরে টি২০ বিশ্বকাপ যদি স্থগিত হয়ে যায় তবে ওই উইন্ডোতে আইপিএল অনুষ্ঠিত হওয়ার একটা জল্পনা তৈরি হয়েছে। ধাওয়ান আশাবাদী আইপিএল হবেই। তাঁর কথায়, ‘আমি সবসময় ইতিবাচক ভঙ্গিতে ভাবতে ভালোবাসি। তবে টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হলে সত্যিই ভালো হবে।’

পাশাপাশি আবার দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে খেলতে হবে ভেবেও মন খারাপ ওপেনারের। ধাওয়ানের কথায়, ‘খেলার মাঠে উন্মাদনা বয়ে আনে দর্শকরাই। তবে এটাও ভেবে দেখতে হবে কয়েকমাস ধরে আমরা গৃহবন্দি। তাই খালি গ্যালারিতে হলেও এটাই আমাদের মাঠে ফেরার সুযোগ।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.