নয়াদিল্লি: ৪০ দিন অতিক্রান্ত হয়ে গিয়েছে দেশ করোনার জেরে লকডাউন পিরিয়ডে রয়েছে। তাতেও মারণ ভাইরাসের প্রকোপ এতটুকু কমার নয়। আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে পাল্লা দিয়ে। এরইমধ্যে আগামিকাল থেকে তৃতীয় দফা লকডাউনে প্রবেশ করছে দেশ। যা চলবে ১৭মে পর্যন্ত।

মারণ ভাইরাস ব্যাপকভাবে থাবা বসিয়েছে ময়দানেও। পৃথিবীজুড়ে স্তব্ধ সমস্ত স্পোর্টস ইভেন্ট। স্বাভাবিকভাবেই তালিকায় রয়েছে দেশের ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট লিগ আইপিএল। গত ২৯ মার্চ কোটিপতি এই ক্রিকেট লিগ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও করোনার জেরে চলতি মরশুমে আইপিএলের অস্তিত্ব সংকটে। অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত হয়ে গিয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ। কিন্তু প্রাক্তন জাতীয় ক্রিকেটার তথা বর্তমান বিজেপি বিধায়ক গৌতম গম্ভীর মনে করেন, আইপিএল ফের দেশের মানুষের উধাও হয়ে যাওয়া মেজাজটা ফিরিয়ে আনতে পারে। কোভিড১৯-র কারণে যা অনেকটাই ফিকে।

এক ক্রীড়া ওয়েবসাইটকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে প্রাক্তন বাঁ-হাতি ব্যাটসম্যান জানিয়েছেন, ‘একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে অবশ্যই মানুষের জীবন বাঁচানোর বিষয়টিই আমি সর্বাগ্রে প্রাধান্য দেব। কিন্তু আপই যদি রাষ্ট্রের মেজাজটা বদলাতে চান তাহলে আমি বলব হার কিংবা জিতের জন্য নয়, কোনও কোনও আইপিএল রাষ্ট্রের মেজাজটা বদলানোর জন্যও খেলা যেতে পারে। আমার মতে দেশের মেজাজ ফিরিয়ে আনতে আইপিএলের চেয়ে ভালো কিছু হতে পারে না।’

গম্ভীরের সংযোজন, ‘অনেকে আমায় প্রশ্ন করতে পারে এমন পরিস্থিতিতে আপনার কাছে আইপিএল বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে হল? কিন্তু ব্যক্তিগত ভাবে একজন ভারতীয় হিসেবে আমি বিশ্বাস করি, যদি চলতি বছর আইপিএল অনুষ্ঠিত হয় তাহলে কোনও ফ্র্যাঞ্চাইজি হার-জিতের মানসিকতা নিয়ে খেলবে না। দেশের স্পিরিট বদলানোই তাদের লক্ষ্য হবে।’ এখানেই শেষ নয়, গম্ভীরের কথায় চলতি বছর আইপিএল অনুষ্ঠিত হলে সেটা হবে সবচেয়ে স্পেশাল। কারণ হিসেবে তিনি বলেছেন, ‘কার্যত স্তব্ধ অবস্থায় একাধিক নেতিবাচক চিন্তা-ভাবনা দেশের মানুষকে গ্রাস করেছে। কিন্তু মানুষ আইপিএলের স্বাদ পেলে গোটা পরিবেশটাই বদলে যাবে।’

২০১১ বিশ্বকাপ ফাইনালের নায়কের কথায়, ‘এই আইপিএল গত ১২ বছরের তুলনায় সবচেয়ে স্পেশাল হবে। ক্লোজ-ডোর কিংবা বিদেশিহীন, যেই জিতুক না কেন কিছুই প্রভাব ফেলবে না। শুধু জিতে যাবে দেশ।’

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প