ঢাকা: কয়েক দিন আগেই আইপিএলের বৃত্ত ছেড়ে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশের দুই তারকা ক্রিকেটার শাকিব আল হাসান (Shakib Al Hasan) এবং মুস্তাফিজুর রহমান ( Mustafizur Rahman)। রাজস্থান রয়্যালস (Rajasthan Royals) এবং কলকাতা নাইট রাইডার্স (Kolkata Knight Riders) যৌথ উদ্যোগে গত বৃহস্পতিবার একটি প্রাইভেট বিমানে ঢাকায় ফেরেন বাংলাদেশের দুই তারকা ক্রিকেটার৷ কিন্তু দেশে ফিরে কোয়ারেন্টাইনে থাকা মুস্তাফিজুর বোমা ফাটালেন আইপিএলে বায়ো-বাবল (bio-bubble) নিয়ে৷

কঠিন বায়ো-বাবলের কথা ভেবে আইপিএলের আগেই সরে দাঁড়িয়েছিলেন দুই অজি ক্রিকেটার৷ তারপর আইপিএলের মাঝপথে দেশে ফিরে গিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার তিন এবং ইংল্যান্ডের এক ক্রিকেটার৷ শেষ পর্যন্ত করোনার গ্রাসে স্থগিত হয়ে গিয়েছে আইপিএলের চতুর্দশ সংস্করণ৷ কিন্তু ২০২১ আইপিএল স্থগিত (IPL 2021 suspended) হওয়ার পর দেশে ফিরে বায়ো-বাবল নিয়ে বোমা ফাটালেন রাজস্থান রয়্যালসের বাংলাদেশি ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর৷

বাংলাদেশের এই বাঁ-হাতি পেসার এক সাক্ষাৎকারে জানান, ‘বায়ো-বাবলে থাকাটা খুব ক্লান্তিকর ছিল৷ দিন দিন অবস্থার আরও অবনতি হচ্ছিল। হোটেল থেকে মাঠ আবার মাঠ থেকে হোটেল, এটা আপনি কতদিন উপভোগ করবেন? আন্তর্জাতিক ক্রিকেট (International Cricket) হোক কিম্বা আইপিএল(IPL), পরিস্থিতি সব জায়গায় একই রকম।’

আইপিএলে বায়ো-বাবল নিয়ে তিনি বলেন, ‘কোনও দলের এক সদস্য করোনা পজিটিভ (Covid Positive) হওয়ায় আমাদের প্রায় পাঁচ-ছ’দিন একটা ঘরে কার্যত বন্ধ ছিলাম৷ এখানে বিশেষ বিমানে এসেও সেই কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হচ্ছে।’ অর্থাৎ বায়ো-বাবলে থাকাটা যে তাঁর পক্ষে কঠিন, তা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিলেন বাংলাদেশের এই নম্বর ওয়ান বোলার।

২০২১ আইপিএলে রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে প্রথমবার খেলেন মুস্তাফিজুর। দলকে ভালোই ভরসা জোগাচ্ছিলেন বাংলাদেশি এই পেসার। স্থগিত হওয়ার আগে ৭ ম্যাচের মধ্যে তিনটি জিতে নিয়ে প্রথম পর্বের শেষে লিগ টেবিলে পাঁচ নম্বরে ছিল মুস্তাফিজুরের ফ্র্যাঞ্চাইজি। প্রাইভেট বিমানে (Private Plane) বেশ হাসিখুশি মেজাজেই ধরা দিয়েছিলেন সস্ত্রীক মুস্তাফিজুর। তাঁর সঙ্গে বিমানে ছিলেন কেকেআর-এর শাকিব আল হাসান৷ টুইটারে সেই ছবি পোস্ট করে বাংলাদেশ পেসার লিখেছিলেনন, ‘আলহামদুলইল্লাহ, আমরা কোনও বিপদ ছাড়া নিরাপদেই বাংলাদেশে ফিরেছি। আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই রাজস্থান রয়্যালস এবং কলকাতা নাইট রাইডার্স ফ্র্যাঞ্চাইজিকে সবটা সম্ভব করার জন্য।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.