মুম্বই: চতুর্দশ আইপিএলের নির্ঘণ্ট বেজে গেল৷ ২০২১ আইপিএল হবে ভারতের মাটিতেই৷ বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফ্র্যাঞ্জাইজি ক্রিকেট লিগ শুরু করে ৯ এপ্রিল৷ ফাইনালে ৩০ এপ্রিল৷ তবে এবারের আইপিএলের ম্যাচগুলি খেলা হবে বায়ো-সিকিওর পরিবেশে ছ’টি ভেন্যুতে৷

করোনা আবহে আইপিএলের ত্রয়োদশ সংস্করণ দেশের মাটিতে আয়োজন করা সম্ভব হয়নি৷ ফলে ২০২০ আইপিএল সযুক্ত আরব আমীরশাহীতে আয়োজন করেছিল বিসিসিআই৷ কোভিড-১৯ সংক্রমণ ফের মাথা চাড়া দেওয়ায় ভারতে আইপিএল হওয়া নিয়ে সংশয় ছিল৷ বোর্ডের তরফে এখনও সরকারিভাবে ঘোষণা না-হলেও সুত্রের খবর দেশের মাটিতেই হচ্ছে আইপিএলের চতুর্দশ সংস্করণ৷

তবে আট দলের টুর্নামেন্টে আটি ভেন্যুর পরিবর্তে এবারের ম্যাটগুলি হবে মোট ছ’টি ভেন্যুতে৷ এগুলি হল আমদাবাদ, চেন্নাই, বেঙ্গালুরু, নয়াদিল্লি, কলকাতা ও মুম্বইয়ে৷ বায়ো-সিকিওর পরিবশে, ৫২দিনের টুর্নামেন্টে মোট ৬০টি ম্যাচ হবে৷ বিসিসিআই ইতিমধ্যেই বায়ো-সিকিওর পরিবেশে ঘরোয়া টুর্নামেন্টে মুস্তাক আলি এবং বিজয় হাজারে ট্রফির সফল আয়োজন করেছে৷ চলছে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ৷ শনিবারই শেষ হয়েছে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চার টেস্টের সিরিজ৷ চেন্নাই ও আমদাবাদে ২টি করে চারটি টেস্ট হয়েছে৷ এবার আমদাবাদে পাঁচ ম্যাচের টি-২০ সিরিজ এবং পুনেতে তিন ম্যাচের ওয়ান ডে সিরিজ খেলবে কোহলি অ্যান্ড কোং৷

গত বছর আইপিএলের ম্যাচগুলি হয়েছিলেন আমীরশাহীর তিনটি শহরে৷ আবু ধাবি, দুবাই ও শারজায়৷ ফাইনালে দিল্লি ক্যাপিটালকে হারিয়ে পঞ্চমবার আইপিএলে খেতাব জেতে রোহিত শর্মার নেতৃত্বাধীন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স৷ মরু শহরে সফলভাবে আইপিএলের ত্রয়োদশ সংস্করণ আয়োজন করতে সক্ষম হয়েছিল বিসিসিআই৷

তবে বোর্ডের তরফে সরকারিভাবে চতুর্দশ আইপিএলের দিনক্ষণ ঘোষণার আগেই প্রস্তুতির পরিকল্পনা করে ফেলেছে চেন্নাই সুপার কিংস৷ আইপিএলের প্রথম দল হিসেবে ১১ মার্চ থেকে আইপিএলের প্রস্তুতি শুরু করে দিচ্ছেন ধোনিরা৷ প্রাক-মরশুম ক্যাম্পের জন্য ইতিমধ্যেই চেন্নাইয়ে পৌঁছে গিয়েছেন ক্যাপ্টেন মহেন্দ্র সিং ধোনি-সহ দলের সিনিয়র ক্রিকেটাররা৷ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলছেন এমন ক্রিকেটারদের বাদ দিয়েই শুরু হতে চলেছে সিএসকে-র অনুশীলন পর্ব৷ ধোনি ছাড়াও থাকতে পারেন সুরেশ রায়না৷ যিনি গত মরশুমে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে টুর্নামেন্ট শুরুর ঠিক আগেই দেশে ফিরে এসেছিলেন রায়না৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।