জয়পুর: জুতোর স্পাইক দিয়ে ঋষভ পন্তের ব্যাটিং গার্ড মুছে দিয়ে আইপিএলে দল হারাতে চলেছেন স্টিভ স্মিথ৷ অজি তারকা ক্রিকেটারকে রিলিজ করতে চলেছে রাজস্থান রয়্যালস ফ্র্যাঞ্চাইজি৷

বাইশ গজে অজি ক্রিকেটারদের স্লেজিং বিশ্ববন্দিত৷ কিন্তু তা বলে ব্যাটসম্যানকে আউট করার জন্য নক্কারজনক স্ট্র্যাটেজি নিতে হবে৷ সোমবার সিডনিতে পন্তকে আউট করতে স্মিথ যা করলেন, তা কুৎসিত বললেও কম বলা হবে৷ ভিডিও-তে পরিষ্কার দেখা গিয়েছে, জুতোর স্পাইক দিয়ে পন্তের ব্যাটিং গার্ড মুছে দিচ্ছেন স্মিথ৷

প্রাক্তন অজি অধিনায়কের এ হেন আচরণে উত্তাল ক্রিকেটমহল৷ বছর দু’য়েক আগে জো’বার্গে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট ম্যাচে বল বিকৃতির কারণে এক বছরের জন্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে নির্বাসিত হয়েছিলেন স্মিথ৷ শুধু নির্বাসন নয়, এর জন্য নেতৃত্বও হারাতে হয়েছে তাঁকে৷ তবুও শিক্ষা হয়নি তারকা এই অজি ব্যাটসম্যানের৷ সিডনি টেস্টে স্মিথের এই আচরণে মোটেই খুশি নয় তাঁর আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি৷

জানুয়ারির ২০ তারিখের মধ্যেই রিটেন করা ক্রিকেটারদের নামের তালিকা জমা দিতে হবে৷ এই তালিকায় স্মিথের নাম না-রাখার বিষয়ে চূড়ান্ত নিতে চলেছে ফ্র্যাঞ্চাইজি কর্তৃপক্ষ৷ তবে ২০২০ আইপিএলের ফর্মের কথা বিবেচনা করেই স্মিথের বিষয়ে এমন সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে ফ্র্যাঞ্চাইজি৷ ১৪টি লিগ ম্যাচে স্মিথ ১৩১ স্ট্রাইক-রেটে করেছিলেন মাত্র ৩১১ রান৷ হাফ-সেঞ্চুরি করেছিলেন ৩টি৷

প্লে অফে ওঠার বিষয়ে ধারাবাহিক হওয়ার উপরে জোর দিচ্ছে রাজস্থান৷ ২০০৮ সালে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর ২০১৩, ২০১৫ এবং ২০১৮ আইপিএলে প্লে-অফে ওঠে তারা৷ গত মরশুমে স্মিথের অফ ফর্ম টুর্নামেন্টে ভুগিয়েছে রাজস্থানকে৷ একাধিকবার নিজের ব্যাটিং পজিশন বদলেছেন তিনি৷ ওপেনার হিসাবে শুরু করলেও পরে মিডল-অর্ডারে নামেন৷

২০১৮ আইপিএল নিলাম শুরুর আগে কেবলমাত্র স্মিথকেই ১২.৫ কোটি টাকায় (১.৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) রিটেন করেছিল রাজস্থান৷ ২০১৮ সালে নির্বাসন কাটিয়ে রাজস্থান আইপিএলে প্রত্যাবর্তন করেছিল৷ আর স্মিথকেই নেতা হিসেবে বেছে নিয়েছিল রাজস্থান ফ্র্যাঞ্চাইজি৷ তবে ‘স্যান্ডপেপার গেট’ কাণ্ডে নির্বাসিত স্মিথ নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ান৷ কিন্তু ২০১৯ আইপিএলের মাঝপথে রাহানেকে সরিয়ে ফের একবার স্মিথের হাতে নেতৃত্ব তুলে দেয় রাজস্থান৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।