নয়াদিল্লি: যুদ্ধ বা মহামারী সেটা কি অবস্থায় তা কতটা সিরিয়াস তা খতিয়ে দেখার আগে‌ যে কোন ব্যক্তি লগ্নিকারী হিসেবে বেশ কিছু কৌশল গ্রহণ করা উচিত। নজর রাখতে হবে শেয়ার বাজারের দিকে। লগ্নির অর্থ পুরোপুরি অনিশ্চিত শেয়ার বাজারে করা উচিত হবে না। ঝুঁকি কমাতে লগ্নির অর্থ বিভিন্ন প্রকল্পে বা সম্পদে ছড়িয়ে দেওয়া দরকার। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক এই পরিস্থিতিতে কৌশলগত দিক থেকে কি কি মাথায় রাখা উচিত।

১) এই সংকটের সময়টা শেয়ার মার্কেটের জন্য উপযুক্ত নয়। বাজারে অস্থিরতা থাকছে। ওঠানামা করা শুধু নয় বাজার ঘিরে অনিশ্চয়তা রয়েছে। ফলে কবে বাজার উঠবে অথবা নামবে সে সম্পর্কে পূর্বাভাস পাওয়া কঠিন। এই সময় সাবধানে লগ্নি করতে হবে এবং বাজারের অবস্থার উপর নজর রাখতে হবে পরিস্থিতি অনুসারে ব্যবস্থা নিতে।

২) এই কঠিন সময়ে লগ্নির পোর্টফোলিও বিভিন্ন ক্ষেত্রে ছড়িয়ে রাখা দরকার কারণ কোন একটিতে পুরো অর্থ লগ্নি করলে ঝুঁকি বেশি থাকে। এক্ষেত্রে বহুত্ব বিনিয়োগের কথা ভেবে ইকুইটি এবং ডেব দুদিকে ছড়িয়ে দেওয়া উচিত মনে হয়।

৩) সংকটের সময় ঠিক করে নিতে হবে আপনার লক্ষ্য কি আর সেই কথা মাথায় রেখেই লগ্নি কোথায় কিভাবে করবেন তা ঠিক করতে হবে। বেশি ঝুঁকে নিয়ে বেশি লাভ করার কথা না ভেবে বরং ঝুঁকি কমিয়ে দীর্ঘমেয়াদী যাতে লাভ সম্ভব হয় সেইভাবে কৌশল ঠিক করতে হবে।

৪) এমন শেয়ারের দিকে নজর দিন যেগুলি গুণগতভাবে ভালো এবং ভবিষ্যৎ রয়েছে। তাহলেই আপনাকে শেয়ার বাজারে ধস নামলে হাত পোড়ানোর মত অবস্থায় পড়তে হবে না।

৫) কৌশলগত দিক থেকে সব অর্থ লগ্নি না করে কিছু অর্থ নগদ হিসেবে হাতে রাখা উচিত। কারণ এই কঠিন সময়ে কখন হঠাৎ করে টাকা দরকার লাগতে পারে তা বলা কঠিন। সে ক্ষেত্রে বিভিন্ন জায়গায় লগ্নি করা সম্পদ গুলি তাড়াহুড়ো করে বেচতে গেলে ঠিক মতো অর্থ তখন নাও পেতে পারেন।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।